শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
থাইল্যান্ডের সঙ্গে কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙলো মিয়ানমার ১০ তলা থেকে পড়ে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল অনাগত শিশু! ইরান যুদ্ধ বদলে দিয়েছে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন ছুটির ভ্রমণচিত্র প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর, মিলল হারমোনিয়াম উপহার ১৫ আগস্টের মধ্যেই একীভূত পাঁচ ব্যাংক থেকে সরছেন প্রশাসকরা ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও এখনই খুলছে না হরমুজ, ঘোষণা ইরানের আগস্টের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬০ কোটি ২০ লাখ ডলার থাইল্যান্ডের সঙ্গে কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙলো মিয়ানমার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ সিলেটে শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যে পৌঁছালো ২৩টি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪
  • ১২৯ বার

ন্যাটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনব্যার্গ জানিয়েছেন, দেশের জিডিপির দুই শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে তুলে রাখতে এগিয়ে এসেছে বেশ কয়েকটি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র।

৩২টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২৩টি সদস্য রাষ্ট্রই আশা করছে যে- এবছর তারা তাদের সামরিক ব্যয় বিষয়ক প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবে। গত বছর এমন রাষ্ট্রের সংখ্যা ছিল ১০টি। ফেব্রুয়ারি মাসেও কেবল ১৮টি রাষ্ট্র এই শর্ত পূরণ করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

স্টলটেনবের্গ বলেন, ‘এটা ইউরোপ ও অ্যামেরিকার জন্য ভালো। বিশেষভাবে ভালো কারণ বাড়তি অর্থের অনেকটাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খরচ হচ্ছে।’

ন্যাটো প্রতিরক্ষা অর্থায়ন লক্ষ্য বেঁধে দেয়া হয়েছিল ২০১৪ সালে। উদ্দেশ্য ছিল, সদস্য রাষ্ট্রগুলি তাদের জিডিপির দুই শতাংশ ব্যয় করবে জাতীয় ও জোটের যৌথ প্রতিরক্ষা খাতে। সাথে, বার্ষিক প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ২০ শতাংশ অর্থ দিয়ে কেনা হবে নতুন যন্ত্রপাতি। গত বছর এই শর্ত পূরণ করে খুব কম সংখ্যায় সদস্য রাষ্ট্র, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অসন্তুষ্ট ছিল।

পরিসংখ্যান বলছে, কে কত বেশি অর্থায়ন করতে পারে, সেই লড়াইয়ে যাওয়ার বদলে এই দুই শতাংশ খরচের বিষয়টি বেশিরভাগ সদস্য রাষ্ট্র ভালো ভাবে নিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, স্লোভেনিয়া ও ইতালির মতো রাষ্ট্রও তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়েছে।

খরচ বাড়ালো জার্মানি ও ফ্রান্সও
জাতীয় জিডিপির সবচেয়ে বড় অংশ প্রতিরক্ষা খাতে রেখে থাকে পোল্যান্ড (৪ দশমিক ১২ শতাংশ), এস্তোনিয়া (৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ)। ইউরোপিয়ান রাষ্ট্রগুলির মধ্যে যারা লক্ষণীয়ভাবে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়েছে, তারা হলো জার্মানি ও ফ্রান্স।

১৯৯০ সালের পর এই প্রথম দুই শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারলো জার্মানি। ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে সামরিক খাতে খরচ বাড়িয়েছে জার্মানি।
নেদারল্যান্ডসের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী, মার্ক রুটে ন্যাটোর পরবর্তী মহাসচিব হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেদারল্যান্ডসও তার প্রতিরক্ষা ব্যয় লক্ষ্য পূরণ করার আশা করছে।

ট্রাম্প ও রাশিয়াকে ঘিরে অনিশ্চয়তা
নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন, যেখানে জয়লাভের আশা দেখছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। সম্প্রতি তিনি বলেন, যে সকল ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র তাদের আর্থিক প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করতে পারবে না, তাদের আক্রমণ করার জন্য রাশিয়াকে ‘উদ্বুদ্ধ’ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের সুরক্ষা দেব না। বরং রাশিয়াকে উৎসাহিত করব তারা যা চায়, তাই করার জন্য। টাকা দিতে হবে, খরচ মেটাতে হবে।’ ট্রাম্পের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে হোয়াইট হাউস।

স্টলটেনবের্গ বলেন যে- জোটসঙ্গীরা একে অপরকে সুরক্ষা না দেবার বিষয়টি সবার নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে।
সূত্র : ডয়চে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com