শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬১৬ ২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

বন্যার্তদের পাশে থাকার আহ্বান লুবাবার, টানলেন ‘হাউন আংকেল’প্রসঙ্গ

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৪৫ বার

শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা প্রায়ই আলোচনা থাকেন। জেনে অথবা অজান্তে জড়িয়ে পড়েন বিতর্কে। সর্বশেষ তাকে ট্রল হতে দেখা গেছে ‘হাউন আঙ্কেল’ নিয়ে! ডিবি কর্মকর্তা হারুনের অশ্লিল ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সবাই তাকে ‘হাউন আঙ্কেল’ নামেই ডাকছে। কারণ সিমরিন লুবাবা একবার সাইবার সমস্যা নিয়ে হারুনের কাছে গিয়ে দ্রুত সমাধান পেয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা গণমাধ্যমকে প্রকাশ করতে গিয়ে অতি উত্তেজনাবশত অল্প বয়সী লুবাবা হারুনকে ‘হাউন’ বলে ফেলেছিলেন।

এরপর সেই হারুন যখন নানা নেতিবাচক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আলোচনায় আসেন তখন ‘হাউন আঙ্কেল’ বলেই তাকে নেটিজেনরা ডাকতে শুরু করে। একপর্যায়ে ‘হাউন আঙ্কেল’ কথাটা হয়ে ওঠে গালি’র সমর্থক।

তবে দেশের বন্যা পরিস্থিতিতে ছোট্ট লুবাবারও মন খারাপ। আর তাই ভাইরাল শিশুশিল্পী লুবাবা আজ তার নাগরিক দায়িত্ব থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সে এ আহ্বান জানায়।

সেখানে লুবাবা সবাইকে উদ্দেশ্যে করে লেখে, ‘আসসালামু আলাইকুম আমি জানি আপনারা আমাকে হাউন আঙ্কেল বলবেন কিন্তু এখন অন্তত আমরা যেই অবস্থাতে আছি বন্যায় ডুবে যাওয়া অসংখ্য মানুষের অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে আমরা এখন আপাতত এই ধরনের কমেন্ট থেকে দূরে থাকি আসুন আমরা সবাই বন্যায় অসহায় মানুষদের যে যেখান থেকে পারি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।’

লুবাবা আরও লিখেছেন, ‘আমি শুনছি এবং আজকে ফেসবুকে দেখেছি কতো মানুষ মারা যাচ্ছে। যারা মারা যাচ্ছে তাদের দাফন করার মাটি পর্যন্ত নেই। এই লাশগুলোকে পানি কোথায় নিয়ে যাবে? এগুলো দেখার পর থেকে আসলে আমি চোখের পানি আটকে রাখতে পারছি না। ছোট ছোট বাচ্চা আমার মত বয়স, এরা আজকে কতটা অসহায়। আসুন আমরা বাচ্চা এবং বৃদ্ধ মানুষকে বাঁচানোর জন্য বেশি চেষ্টা করি, কারণ তারা তো পানিতে ডুবে যাবে। কিন্তু বড়রা যেভাবেই হোক পার হয়ে যেতে পারবে। আসুন আমরা সবাই মিলে বন্যায় ডুবে যাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াই। আমরা সবাই দোয়া করি আল্লাহর কাছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com