বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

১২ ব্যক্তির সম্পদ ৪০০ কোটি মানুষের চেয়ে বেশি

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৯ বার

টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্কসহ শীর্ষ ১২ জন ধনকুবেরের হাতে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, তা বিশ্বের প্রায় ৪০০ কোটি মানুষের মোট সম্পদের চেয়ে বেশি বলে তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। গতকাল সোমবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনের আগে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি। যেখানে সতর্ক করে বলা হয়, ধনাঢ্যদের সম্পদের এই পাহাড় রাজনীতিতে ‘চরম বিপজ্জনক’ পরিণতি ডেকে আনবে।

প্রতিবছরই দাভোস সম্মেলনের আগে প্রতিবেদন প্রকাশ করে অক্সফাম। এবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির কারণে ধনকুবেরদের ভাগ্য নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরের মধ্যে অতিধনীদের সম্পদ ১৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১৮ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন হাজারে। অক্সফাম বলছে, ইলন মাস্কসহ শীর্ষ ১২ জন ধনকুবেরের হাতে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, তা বিশ্বের অতিদরিদ্র অর্ধেক মানুষের (প্রায় ৪০০ কোটি মানুষ) মোট সম্পদের চেয়ে বেশি।

দাতব্য সংস্থাটি বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ শিথিল করার পক্ষে জোরালো অবস্থান এবং করপোরেট কর বৃদ্ধির চুক্তিগুলো ক্ষুণ্ন করার পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে ধনকুবেরদের আরও ধনী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষ করে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য নির্ধারিত ১৫ শতাংশ ন্যূনতম করহার থেকে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে সংস্থাটি।

অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক অমিতাভ বেহার বলেন, ধনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান একটি রাজনৈতিক ঘাটতি তৈরি করছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তিনি সতর্ক করে বলেন, অঢেল অর্থ এখন রাজনৈতিক ক্ষমতা কেনার হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইলন মাস্কের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) কেনা এবং অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে’ মালিকানার উদাহরণ টেনে অক্সফামের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশ্বের শীর্ষ ধনীরা এখন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছেন। অক্সফামের মতে, এই ক্ষমতা ধনকুবেরদের হাতে সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের চাবিকাঠি তুলে দিচ্ছে, যা গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের জন্য হুমকিস্বরূপ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com