বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

থাইল্যান্ডে ভোটগ্রহণ ও গণভোট চলছে

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১ বার

পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে আজ রোববার সংসদ নির্বাচন চলছে। ভোটের ফলাফলে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে জোট সরকার গঠন হতে পারে। এবারের নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খবর বিবিসি’র।

স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে খোলা হয়েছে ভোটকেন্দ্রগুলো এবং বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগাম ভোটে ইতোমধ্যে ২২ লাখের বেশি ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন।

এবারের নির্বাচনে মোট ৫ কোটি ৩০ লাখ নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। মোট ৫০০ আসনের সংসদে ৫০টিরও বেশি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কার্যত তিনটি দল—পিপলস পার্টি, ভূমজাইথাই এবং ফেউ থাই—সরকার গঠনের সম্ভাব্য ক্ষমতা রাখে।

জরিপে দেখা গেছে, কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে জোট সরকার গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

সংস্কারপন্থী পিপলস পার্টি নাথাফং রুয়াংপানইয়াওয়ুতের নেতৃত্বে সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে। তবে দলটির কর্মসূচি—সামরিক বাহিনী ও আদালতের প্রভাব কমানো এবং অর্থনীতিতে সংস্কার—প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে প্রতিদ্বন্দ্বীরা একজোট হয়ে পিপলস পার্টিকে ক্ষমতার বাইরে রাখার চেষ্টা করতে পারে।

ভূমজাইথাই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। রাজতন্ত্রপন্থী ও সামরিক সমর্থক শক্তির প্রধান রক্ষক হিসেবে পরিচিত এই দল নির্বাচন পরিচালনা করছে। অনুতিন সেপ্টেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নির্বাচনী প্রচার অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর কেন্দ্রীভূত।

তৃতীয় প্রধান দল ফেউ থাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার রাজনৈতিক ধারার উত্তরসূরী। দলটি অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও নগদ সহায়তা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। দলটি প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনয়ন দিয়েছে থাকসিনের ভাতিজা ইয়োদচানান ওংসাওয়াতকে।

এছাড়া আজ সংবিধান সংশোধনী বিষয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটারদের প্রশ্ন, ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনী প্রণীত সংবিধান পরিবর্তন করা হবে কি না। গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো মনে করছেন, নতুন সংবিধান সামরিক ও বিচার ব্যবস্থার প্রভাব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ। তবে রক্ষণশীলদের আশঙ্কা, এতে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক দৃশ্যপট ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com