বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন

ঋণের টাকায় শিক্ষা উন্নয়নের নামে লুটপাটের আয়োজন

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ বার

প্রান্তিক এলাকার পিছিয়ে পড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ২ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘নেক্সট জেন’ নামে একটি প্রকল্প নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রকল্পের উদ্দেশ্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গুণগত আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা। তবে বৈদেশিক ঋণের টাকায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রাখা হয়েছে অতিরঞ্জিত ব্যয়ের আয়োজন। সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ থাকা শ্রেণিকক্ষ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। প্রকল্পের আওতায় শিক্ষকদের দক্ষ করে গড়ে তোলা উদ্দেশ্য হলেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে। অথচ প্রকল্প শেষে শতকোটি টাকা ব্যয়ের সফটওয়্যার ও ই-লার্নিং কনটেন্ট রক্ষণাবেক্ষণে নেই কোনো পরিকল্পনা। প্রকল্পের জন্য গাড়ি ভাড়া নেওয়ার পরও যাতায়াতের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা বাজেট। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে অতিরঞ্জিত ব্যয়ের পাশাপাশি প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বেশি লুটপাটের সুযোগ রয়েছে। শিক্ষা বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি একটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় অতিরঞ্জিত ব্যয় ও লুটপাটের সুযোগ রাখা হয়েছে। আবার পরিকল্পটির মেয়াদ শেষ হলে ডাটা সংরক্ষণের জন্য কোনো বাজেট না থাকায় পাঁচ বছরের যে অর্জন হবে, তার পুরোটাই জলে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে এই প্রকল্পে অত্যধিক ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছিল। এ কারণে এরই মধ্যে তিনবার ব্যয় কমিয়ে সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথমবার ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এডিবির ঋণের ২ হাজার ৮৪৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার বাইরে বাকি টাকা জোগান দেওয়ার কথা ছিল সরকারের। কিন্তু সরকার এতে আগ্রহী না হওয়ায় দ্বিতীয়বার তা কমিয়ে ৪ হাজার ৭ কোটি টাকায় এনে প্রস্তাব পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবও ফেরত আসে সরকারের অনাগ্রহের কারণে। শেষমেষ ব্যয় কাটছাট করে শুধু ঋণের ২ হাজার ৮৪৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পাঁচবছর মেয়াদি এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো একনেকে অনুমোদন হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আজ বুধবার প্রস্তাবটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের পিছিয়ে পড়া জনপদগুলোর মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার মানোন্নয়ন। রাজধানীসহ মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ প্রকল্পের আওতায় কোনো সুবিধা পাবে না। প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক জনপদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাসরুম তৈরি, আইসিটি ও ল্যাব সুবিধা দেওয়া হবে। এ ছাড়া দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের স্কুল পরিচালনা ও পাঠদানের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হবে। সেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি আইডি থাকবে। সেই আইডিতে তাদের শিক্ষাজীবনের সব তথ্য থাকবে। পাঠ্যবইয়ের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর একটি কনটেন্ট তৈরি করা হবে। যাতে ওই কন্টটেন্ট দেখে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে।

বিদেশ ভ্রমণে যাবেন ৫৪ জন, যাদের ৩৯ জনই আমলা: এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশেও প্রশিক্ষণের আয়োজন রাখা হয়েছে। দুই ধাপে ৩৬জন ও ১৮ জন করে ৭ দিনের জন্য এশিয়া কিংবা ইউরোপের কোনো একটি দেশে যেতে পারবেন। জনপ্রতি খরচ হবে ১২ লাখ টাকা। ৫৪ জনের বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ রাখা হলেও এর মধ্যে শিক্ষক মাত্র ১৫ জন। বাকিরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা।

তথ্যমতে, শিক্ষা প্রযুক্তি বাস্তবায়নে স্কুলপ্রধানদের ভূমিকা বিষয়ে জানতে বিদেশ যাবেন ৩৬ জন। এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ৩ জন, পরিকল্পনা কমিশনের ২ জন, মাউশির ৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১ জন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটের ২ জন, এনসিটিবির ১ জন, আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা ১ জন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ১ জন, ইইডির ১ জন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ৪ জন। বাকি ১৫ জন প্রধান শিক্ষক।

এর বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ের বিজ্ঞান শিক্ষা বিষয় সম্পর্কে জানতে বিদেশ যাবেন ১৮ জন। এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ১ জন, পরিকল্পনা কমিশনের ১ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১ জন, ইআরডির ১ জন, মাউশির ২ জন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটের ২ জন, এনসিটিবির ১ জন, সরকারি টিচার্চ ট্রেনিং কলেজের ১ জন, আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা ১ জন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ২ জন, ইইডির ১ জন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা সহকারী শিক্ষা অফিসার ৫ জন বিদেশে যাবেন। এই ধাপে কোনো শিক্ষকের বিদেশ যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষকদের যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে সেই প্রশিক্ষণে যারা ভালো করবেন তাদের মধ্যে ১৫ জনকে বিদেশে নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিভিন্ন মন্ত্রলালয়ের কর্মকর্তারা এই প্রশিক্ষণে কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমার জানা নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ ব্যয় দ্বিগুণ

প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ১ হাজার ৪৮৫টি স্কুলে অতিরিক্ত তিনটি ক্লাসরুম নির্মাণ করা হবে। এ জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। এতে ফার্নিচার ছাড়া প্রতিটি স্কুলের বিল্ডিংয়ে অতিরিক্ত তিন রুম করতে খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। অথচ নতুন ক্লাসরুম নির্মাণের জন্য ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বেশি খরচ হবে না বলে ধারণা খোদ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার। ফলে এই খাত থেকেই ৫০০ কোটি টাকার বেশি লুটপাটের সুযোগ থাকছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব প্রকল্পেই নির্মাণকাজ থেকে লুটপাট বেশি হয়। এই খাতে বাজেট বেশি রাখা মানে লুটপাটের একটি পরিকল্পনা রাখা। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা উচিত। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এটা আমাদের কাছেও বেশি মনে হয়েছে। আমরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে এর প্রাক্কলন চেয়েছি। তারা এ ধারণা দিয়েছে। তবে টেন্ডারের সময় তা কমবেশি হতে পারে।

মেয়াদ শেষে শতকোটি টাকার ডাটা নষ্ট হওয়ার শঙ্কা

প্রকল্প প্রস্তাবনা সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হবে। যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি আইডি থাকবে। সেই আইডিতে তাদের শিক্ষাজীবনের সব তথ্য থাকবে। এ ছাড়া পাঠ্যবইয়ের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর একটি কনটেন্ট তৈরি করা হবে। যাতে ওই কনটেন্ট দেখে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে। আর এসব বাস্তবায়নে ৭২ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে এটি বেড়ে শতকোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

এসব ডাটা সংরক্ষণের জন্য খরচ ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। তবে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে ডাটা সংরক্ষণের কাজে নেই কোনো বরাদ্দ। ফলে শতকোটি টাকা খরচ করে তৈরি ডিজিটাল কনটেন্ট নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এটা উদ্বেগের বিষয়। এত কষ্ট করে ই-কনটেন্ট ও শিক্ষার্থীদের ডাটা তৈরি করা হবে। কিন্তু মেয়াদ শেষে এসব ডাটা কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে তার একটা বাজেট বা পরিকল্পনা থাকা দরকার। না হলে শতকোটি টাকার এই ডাটা নষ্ট হতে পারে।

অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণেই যাবে ৪৪৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা

দেশের ১৮ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের স্কুল পরিচালনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষকদের পাঠদানে দক্ষ করতে প্রশিক্ষণেই ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৮ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজার প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের স্কুল পরিচালনা বিষয়ক প্রশিক্ষণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫২ কোটি টাকা, বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষকদের পাঠদানে দক্ষ করতে প্রশিক্ষণে ব্যয় হবে ১৮৯ কোটি টাকা। আর একীভূত মূল্যায়ন পদ্ধতি বিষয়ে কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা এখনো স্কুল পরিচালনায় দক্ষ নন। ফলে তাদের দক্ষ করার পাশাপাশি অন্য শিক্ষকদেরও দক্ষ করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। তবে তাদের কী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, তা কর্মশালায় ঠিক হবে।

আরও যত অতিরঞ্জিত ব্যয়ের আয়োজন

প্রকল্পের কাজে যাতায়াতে জন্য ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা খরচ করে পাঁচ বছরের জন্য জিপ ও মাইক্রোবাস ভাড়া নেওয়া হবে। তার পরও যাতায়াতের জন্য ভাড়া ধরা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। এর বাইরে স্কুলগুলোতে কম্পিউটারসহ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের জন্য ৭৪ কোটি টাকা, স্কুলের ক্লাসরুম, সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও শিক্ষক কমনরুমের ফার্নিচারে জন্য বাজেট রাখা হয়েছে ৩৪৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। যদিও স্কুলগুলো কত টাকার ফার্নিচার পাবে তা উল্লেখ নেই। আর এসব স্কুলে বিজ্ঞানাগার নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তা ছাড়া প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ৬ কোটি ৪৯ লাখ, প্রশাসনিক ব্যয় ১৭ কোটি ৭ লাখসহ বাকি টাকা অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের পরিকল্পনা ও কর্মকৌশল ঠিক করার জন্য সেমিনার বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এ ছাড়া প্রকল্পের কাজে গাড়ি ভাড়া বাবদ সাড়ে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দের বাইরেও যাতায়াতের জন্য রাখা হয়েছে আরও ৫০ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন

মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মীর জাহীদা নাজনীন বলেন, ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পরিকল্পনা কমিশনে যাবে। কিছু অতিরিক্ত বরাদ্দসহ অসংগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন একটা মিটিংয়ে আছে। এই সপ্তাহে ব্যস্ত আছেন। আগামী সপ্তাহে অফিসে দেখা করতে বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের যুগ্মসচিব মীর্জা মোহাম্মদ আলী রেজা বলেন, যে ডিপিপি তৈরি করা হয়েছে, তা অনুমান নির্ভর। পরিকল্পনা কমিশন এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করবে। যদি কোনো আপত্তি থাকে তারা ফেরত পাঠালে আমরা সংশোধন করব।

সার্বিক বিষয়ে শিক্ষাবিদ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ কালবেলাকে বলেন, এই প্রকল্পে অবকাঠামোতে জোর দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামোর প্রয়োজন আছে, তবে তা পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষার মান বাড়াবে না। অবকাঠামো নির্মাণে সবার আগ্রহের কারণ এতে টাকা-পয়সা খরচ হবে, সবার লাভ হবে। আমরা অতীতেও দেখেছি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট বিশাল একটা দুর্নীতির আখড়া। আবার ই-কনটেন্ট ও শিক্ষার্থীদের আইডি পরবর্তী সময় কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে, তা নিয়ে ভাবা উচিত। একটা প্রকল্প কিছুদিন চলবে তারপর সেটা ব্যর্থ হলে আরেকটা প্রকল্প শুরু হবে—এই ধারা চলে আসছে। প্রকল্প করে টাকা খরচ খরচ করার চিন্তা থেকে সরে আসতে হবে। আরও চিন্তাভাবনা করে প্রকল্প শুরু করা উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com