শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভক্ত থেকে বিশ্বজয়ী সতীর্থ: মেসির বিদায়ে আলভারেজের আবেগঘন চিঠি ‘লিফট চালু থাকলেও ছয় তলায় সিঁড়ি দিয়ে উঠানো হয়েছে’ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের সোনালি মূর্তি ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে: রিজভী মানি চেঞ্জারে ডলার বিক্রির সীমা বেড়ে ৩ হাজার ডলার প্রত্যেক উপজেলায় সরকারের জরুরি নির্দেশনা আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জাল কাগজপত্রে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যাদেশ রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ দিল্লিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে নতুন মামলা

তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৪ বার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিহিংসা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের উদ্যোগে অসুস্থ তিন প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এবং জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আহতদের আরোগ্য কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমাদের তিনজন প্রবীণ জননেতা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অসুস্থ ও চিকিৎসাধীন। তাদের সুস্থতা কামনায় এ আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, বিএনপির ছোট-বড় নেতাকর্মীরা ১৮ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু নেতাকর্মীরাই নন, তাদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাদের চাকরি পাওয়ার কথা ছিল, শেখ হাসিনার আমলে তারা সেই সুযোগ পাননি। এ কারণে এক ধরনের অস্থিরতা থাকতেই পারে। তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে।

দুদু বলেন, শেখ হাসিনার আমলে যারা অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, বর্তমান সরকার তাদের বিষয়ে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার। তার মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই। অথচ এই পরিবারই সবচেয়ে বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।

ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি সেই নেতৃত্ব অর্জন করেছিলেন। একইভাবে ১৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের পর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।

কৃষক দলের সাবেক এই আহ্বায়ক বলেন, অনেকে অনেক ধরনের জনপ্রিয়তার দাবি করেন। আমি কাউকে ছোট করছি না। কিন্তু দেশবাসী গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান শক্তি হিসেবে বিএনপিকেই গ্রহণ করেছে। কারণ, ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা বিএনপিকেই ভোট দিয়েছে।

তিনি বলেন, এক-এগারোর নির্যাতনে তারেক রহমান নিহতও হতে পারতেন, তবে আল্লাহ তাকে রক্ষা করেছেন। আর বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, এমনকি চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ এমন একটি হিংস্র নেতৃত্বের অধীনে ছিল। সেই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে হবে।

সরকারকে দক্ষতা ও ধৈর্যের সঙ্গে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুদু বলেন, একটি মহল বিভিন্ন স্থানের ছোটখাটো ঘটনাকে বড় ঘটনায় রূপ দিতে চায়। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের সভাপতি সালাউদ্দিন খান পিপিএম। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন সরদার।

অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, কৃষক দলের সাবেক দফতর সম্পাদক এস কে সাদি, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com