বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার মাজারে চিফ হুইপসহ হুইপবৃন্দের শ্রদ্ধা অর্থনৈতিক সুনামি! ব্যবসা-বাণিজ্য তছনছ! পেন্টাগনের তথ্য ফাঁস : ১০ দিনের বেশি যুদ্ধ চললে ফুরিয়ে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টে রিট চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের উদাসীনতা, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তেহরান সরকারি কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা খামেনির দাফনের স্থান নির্ধারণ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করতে কংগ্রেসের উদ্যোগ

সরকারি ওষুধ বাড়ি নেওয়ার পথে ধরা খেলেন নার্স

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ২১৩ বার

ভোলায় হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের কাছে ধরা খেয়েছেন তৃপ্তি রায় নামের এক নার্স। গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ধরনের ৪৮ পাতা ওষুধ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

তৃপ্তি রায় জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত আছেন।

স্থানীয়রা জানান, তৃপ্তি রায় দীর্ঘদিন ধরে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত থাকায় বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকলের সঙ্গে তার সুসর্ম্পক তৈরি হয়। এই সুবাদে তিনি বিভিন্ন সময় হাসপাতাল থেকে অবৈধভাবে ওষুধ বাড়ি নিয়ে যেতেন। একইভাবে রোববার হাসপাতালের বহির্বিভাগের ওষুধ সরবরাহ কেন্দ্র থেকে ৪৮ পাতা ওষুধ নিয়ে তিনি বাড়ি যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে স্তারা তাকে ধরে ফেলেন।

এত ওষুধ কোথায় ও কেন নিয়ে যাচ্ছেন প্রশ্ন করলে তৃপ্তি রায় কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত আবার হাসপাতালে চলে যান। পরে স্থানীয়রা পিছু পিছু হাসপাতালের ওই কক্ষে যান। এ সময় তারা তৃপ্তির হাতে থাকা বক্স ও ইউনিফর্মের পকেট থেকে বিভিন্ন ধরনের ৪৮ পাতা ওষুধ বের করেন। তৃপ্তি রায়ের এ ওষুধ বাড়ি নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নার্স তৃপ্তি রানী রায় জানান, তিনি এসব ওষুধ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টিকেটের মাধ্যমে তার আত্মীয়-স্বজনদের জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রয়োজনে মাঝে মাঝেই এভাবে ওষুধ নিয়ে যান বলে স্বীকার করেন তিনি।

জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তপতি চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমি লোকের মুখে শুনেছি। তিনি যদি এ ধরনের কাজ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ভোলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com