

জনগণের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আপনারা অনেক নির্বাচন দেখেছেন। করোনা পরিস্থিতিতেও গত কয়েকদিন আগে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিয়েছেন। আজকে যত উন্নয়ন দেখছেন, সেটি আমরা ক্ষমতা থাকার কারণেই। কিন্তু বিএনপি এ দেশের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। কোন স্বর্গসুখের আশায় বিএনপিকে ভোট দেবেন?
নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন বিষয়ে তিনি বলেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। গতকাল সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের অবস্থানবিষয়ক এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। সদ্যসমাপ্ত নিউইয়র্ক সফর ও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই সংবাদ সম্মেলন করেন। গণভবন প্রান্তে মন্ত্রী, সচিব ও কয়েকজন অগ্রজ সাংবাদিক ছিলেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন করেন। এখানে সাংবাদিক ছাড়াও আওয়ামী লীগ নেতারা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ২০০৮ সালে তো নির্বাচনে হেরেছে। সেই নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেনি। তাদের জন্ম কীভাবে হয়েছে? ভালো কোনো হাত ধরে গণতান্ত্রিক পর্যায়ে কি তাদের জন্ম? বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে, তখন লুটপাট করেছে। একজন এতিমদের টাকা লুটপাট করে কারাভোগ করেছে। অপরজন ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক। কাজেই যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তারা নিজেরাই অবৈধ। কিন্তু দেশে নির্বাচন হয়েছে বিধায় দেশ এখন স্থিতিশীল রয়েছে। উন্নয়ন হচ্ছে।
এক প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এবং ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মানুষ কী পেয়েছে আর আওয়ামী লীগের শাসনামলে কী পেয়েছে, সেই তুলনা করুন এবং তার পরই বিবেচনা করুন।’
বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন হতাহতের কিছু ছবি স্লাইডশোর মাধ্যমে মনিটরে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেখেন তখন কী অবস্থা মানুষের, আতঙ্কে মানুষ। মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা ছিল না। বলতে গেলে ১ অক্টোবর থেকে যে অত্যাচার শুরু হলো। যেভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মানুষকে অত্যাচার করেছে সেভাবে ধর্ষণ করা, মানুষকে হত্যা করা। সেখানে কেউ সাহস করে মামলা করবে? একমাত্র পূর্ণিমা সাহস করে মামলা করেছিল বলে এলাকা থেকে চলে যেতে হলো। প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রেনেড হামলা করে মানুষ মারা হলো। হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কেউ তো বাদ যায়নি। তাদের এই সব অপকর্মের ফলে কী অবস্থা দাঁড়াল? তার পরে দুর্নীতি। বাংলাদেশ পাঁচ, পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন। যার ফলে ইমার্জেন্সি এলো।’
প্রসঙ্গক্রমে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়ার আমলে গণফাঁসির বিষয়ে তথ্য বের করা দরকার। ’৭৫-পরবর্তী ক্যু পাল্টাক্যুর নামে বিমানবাহিনীসহ সামরিক বাহিনীর অসংখ্য অফিসার-সদস্যকে বিভিন্ন কারাগারে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বিভিন্ন কারাগারে খোঁজ নিলেই ওই সময়ে কত হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, লাশ গুম করা হয়েছে- সেই তথ্য পাওয়া যাবে। কমিশন গঠনের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এত বছর পর হলেও মানুষের মধ্যে চেতনা এসেছে। জেনারেল জিয়া তার অবৈধ ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করতে এসব হত্যাকা- ঘটিয়েছে। সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে হত্যা এবং লাশ গুম করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের হত্যার বিচার বিএনপি কিন্তু করেনি। কথিত বিদ্রোহের একটা বিচারের নামে ৯ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। এটার অবশ্যই একটা তদন্ত হওয়া দরকার। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সার্চ কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।’
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিতর্কিত বক্তব্যের দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার দল আওয়ামী লীগ তাকে শোকজ করেছে। শোকজের জবাবের পর বাকি সিদ্ধান্ত নেব।
অপর এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কোনো সংস্থা রোহিঙ্গাদের শরণার্থী করে রাখতেই বেশি আগ্রহী বলে তার মনে হয়েছে। মনে হয় রিফিউজি পালাটা একটা ব্যবসা কোনো কোনো সংস্থার জন্য। রিফিউজি না থাকলে তাদের চাকরিই থাকবে না। এটা হলো আসল কথা। মিয়ানমারে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।’
এ বিষয়টি তুলে ধরে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণের কথাও সংবাদ সম্মেলনে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা ও অব্যাহত সহযোগিতা আশা করি। মিয়ানমারকে অবশ্যই তার নাগরিকদের প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তাদের খুব বেশি আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক প্রস্তাব আসে রোহিঙ্গাদের জন্য এখানে অনেক কিছু করে দিতে চায়। আমি সোজা বলে দিই, যান মিয়ানমারে, ওখানে ঘর করেন, ইশকুল করেন, এখানে করা লাগবে না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯১ সালে একসঙ্গে অনেক রোহিঙ্গা এসেছিল। তখন আলোচনার মাধ্যমে কিছু ফেরত গেল, তিন লাখের মতো থেকে গেল। মুহিবুল্লাহ (উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সম্প্রতি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত) কিন্তু সেই সময়ই দেশে এসেছিল। ফেরত যায়নি। এবারে সাত-আট লাখ এলো। সব মিলিয়ে ১১/১২ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে। এর আগে তো পাকিস্তানি রিফিউজিদের আশ্রয় দিয়েছি সেই ১৯৪৮ সালেই। তাদের তো আর ফেরতই নিল না। সবাই হয়তো ভুলেই গেছে যে এই বড় অঙ্কের শরণার্থীদের আমরা আশ্রয় দিয়ে পালন করে যাচ্ছি।’
ভ্যাকসিনকে গোটা বিশ্বের জন্য সার্বজনীন পণ্য ঘোষণা করে সব দেশের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী (জাহিদ মালেক) সবশেষ যে রিপোর্ট দিয়েছেন, তাতে দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন নিয়ে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য সব ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আমরা বলেছি, ফর্মুলা চাই। ফর্মুলা পেলে দেশেই ভ্যাকসিন প্রস্তুত করতে পারব।’
সংবাদ সম্মেলনে এক গণমাধ্যমকর্মীর প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের বিষয়- মহামারী দেখা দিলে একটি শ্রেণি আর্থিক লাভ-লোকসানের দিকে যতটা তাকায়, মানুষের দিকে ততটা তাকায় না। কেবল আমাদের দেশেই না, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ ধরনের গোষ্ঠী রয়েছে। এ কারণেই আমি ভ্যাকসিনকে সর্বজনীন একটি পণ্যে পরিণত করার পক্ষে কথা বলেছি যেন এই ভ্যাকসিন সবাই পায়।’
ই-কমার্সের সঙ্গে সম্পৃক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এটা ভালো সংবাদ, কিন্তু ভোক্তাদের অর্থ পাওয়ার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগ জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের দুঃসময়ের সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ টাকা বানানোর জন্য যে প্রতারণা করে, এটার শাস্তি অবশ্যই হবে। আমরা বসে নেই, সঙ্গে সঙ্গে এদের ধরা হয়েছে। একবার যখন ধরা হয়েছে তখন টাকাগুলো নিয়ে কোথায় রাখল, কী করল, কী সম্পদ বানাল- সেটাও কিন্তু খুঁজে বের করা হবে। সরকারপ্রধান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ ধরনের হায় হায় কোম্পানি যখন সৃষ্টি হয়, সাংবাদিকদের একটা দায়িত্ব থাকে। সবার ওপরেই আপনাদের একটা দৃষ্টি থাকে। টাকাগুলো তারা নিয়ে নিয়েছে, কোথায় রেখেছে, কোথায় পাচার হয়েছে- সে ব্যাপারেও তদন্ত হচ্ছে। যখনই এগুলো পাওয়া যাবে, আমরা সেগুলো ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করব। যেমন আমরা খালেদা জিয়ার ছেলে কোকোর পাচার করা কিছু টাকা ফেরত এনেছিলাম। আরও এ রকম বহু টাকা আছে আমরা ফেরত আনার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখল প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকদের প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ভয় পেলে ভয়, না পেলে কিছু না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইংল্যান্ডে বঙ্গবন্ধুর নাতনি ব্রিটিশ সংসদ সদস্য টিউলিপের ওপর হামলার ঘটনায় তারাই ব্যবস্থা নেবে। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। ইংল্যান্ডের মতো সভ্য দেশেও যুদ্ধাপরাধীরা এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। কিছু লোক তো ওখানে বসে আছে, এটা দুঃখজনক। আমরা কিছু বলতে চাই না। ব্রিটিশ সরকার এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহহীনদের দেওয়া ঘরে ভাঙন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের বলেন, ‘যখন ঘর ভাঙল আপনারা ভাঙা ঘরের ছবি দিলেন। ঘরটা দেখেন তো এটা ম্যাটেরিয়ালের জন্য ভেঙেছে নাকি ভাঙা হয়েছে? সেটি খুঁজে বের করুন। ভাঙা ঘরটা দেখলেন, কারা ভাঙল তা দেখলেন না।
অপর এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গবেষণা ছাড়া কোনো কিছু আবিষ্কার করত পারব না। আমরা হাইব্রিড ধান উৎপাদন করেছি। যেহেতু বন্যা হয়, সেই সঙ্গে সবজি, তরিতরকারি, কবে শীতকাল আসবে, কবে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম খাব? এখন সারাবছরই খাওয়া যাচ্ছে। এগুলোই সবই গবেষণার ফল। এখন চেরি ফল হচ্ছে, আর অন্য সব হচ্ছে। দেশি মাছ হারিয়ে যাওয়ার পথে ছিল। কিন্তু আমাদের গবেষণার ফল হিসেবে এখন সব ধরনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে। গবেষণার জন্য আমাদের ফান্ড আছে। বিশেষ ফান্ড আছে। তবু কেন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার জন্য অনীহা তা আমি জানি না।
এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের সম্মেলনে যোগ দিতে এবার আমাদের নিজস্ব বিমানে করে সরাসরি নিউইয়র্কে গিয়েছি। ড্রিমলাইনার নামের এ বিমানটি সবচেয়ে আধুনিক। আমি এর নাম দিয়েছি ‘অচিন পাখি’। এটি অনেক কম দামে ক্রয় করেছি। এখন থেকে এ বিমানে সরাসরি কোনো বিরতি ছাড়া ১৪ ঘণ্টায় নিউইয়র্ক পৌঁছাতে সক্ষম হব। এটি আমাদের জন্য বড় মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে অনেক জায়গায় যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। তাই আমরা সরাসরি বিমান ক্রয় করে এ ব্যবস্থা চালু রাখছি। আমরা নতুন বিমান কিনেছি। আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার চেষ্টা করছি। কে কী সমালোচনা করল, আমি সেটি নিয়ে চিন্তা করি না।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ষ কোন স্বর্গসুখের আশায় বিএনপিকে ভোট দেবে মানুষ
ষ যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তারা নিজেরাই তো অবৈধ
ষ জনগণ ভোট না দিলে ক্ষমতায়
আসব না
ষ বাংলাদেশেই ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে
ষ হায়হায় কোম্পানির (ই-কমার্স) টাকা পাচারের তদন্ত হচ্ছে
ষ আফগান ইস্যুতে ভয় পেলে ভয়, ভয় না পেলে কিছুই নয়
ষ টিউলিপের ওপর হামলায় ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে
ষ অর্থ দিচ্ছি তবু গবেষণায় শিক্ষকদের কেন অনীহা জানা নেই
ষ এসডিজি প্রগ্রেস অ্যাওয়ার্ড দেশের জনগণকে উৎসর্গ
ষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ভাঙা ঘরটা দেখলেন, কারা ভাঙল দেখলেন না
ষ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যৌথভাবে কার্যক্রম চালানোর আহ্বান
ষ কারও কাছে রিফিউজি পালা ব্যবসা