চার হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৪২তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে বৃহস্পতিবার। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে গতকাল বুধবার। করোনা মহামারীর মধ্যে এই বিসিএসের মাধ্যমে প্রথমে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর নির্দিষ্ট শ্রেণীতে প্রতিদিন দু’টি ক্লাস হবে। এর মধ্যে ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসবে। আর প্রথম, দ্বিতীয়,
স্কুল খোলার ঘোষণা আসার পর চলতি বছরের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কবে হতে পারে, সেই পরিকল্পনা জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি
স্কুল-কলেজ খোলার তারিখ ঘোষণা করা হলেও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় খোলা নিয়ে। গত শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিন্ডিকেট এবং একাডেমিক কাউন্সিল চাইলে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলো
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত সর্বশেষ র্যাংকিং প্রকাশ করেছে। র্যাংকিংয়ে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)
করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ ৫৪৫ দিন ধরে বন্ধ থাকা স্কুল-কলেজ খুলছে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর। গতকাল শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি চাঁদপুরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি শিক্ষা
১২ বছরের শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, ‘স্কুল-কলেজগুলো খোলার জন্য আমরা আগেই প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছি।
তথ্য গোপন করে পরীক্ষা দেওয়ায় নার্স নিয়োগে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যোগ্যতা না থাকলেও চাকরি পরীক্ষায় পাশ করেছে প্রায় দুই হাজার ৩৫০ জন। ভুক্তভোগীরা বলছেন, মেধাক্রম অনুসারে যোগ্য প্রার্থীদের সুযোগ দিলে
মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ থাকার পর অবশেষে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর খুলছে দেশের সব মেডিক্যাল কলেজ। এ সময় সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বৃহস্পতিবার
স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত আটকে আছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির পরামর্শের অপেক্ষায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সংক্রমণের হার ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে কোনো একটি সংখ্যা বিবেচনা করা