প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ভাবমূর্তি আরো উন্নত করতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘দেশের ভাবমূর্তি আরো উন্নত করতে অত্যন্ত আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব,
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যারা বাধাগ্রস্ত করবে তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এ তথ্য জানানোর পরই এ ইস্যুটি
বাংলাদেশ-জাপান এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকে সংযুক্ত করে একটি আঞ্চলিক শিল্পে মূল্য শৃঙ্খল (ভ্যালু চেইন) তৈরি করতে সরকারি সংস্থা, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে একটি ত্রিপক্ষীয় প্ল্যাটফর্ম গঠনের উপর জোর
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনের একটি সাইড ইভেন্টে ‘ই-কোয়ালিটি সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ ইনোভেশন’ উদ্বোধন করেন। ‘ই-কোয়ালিটি সেন্টার ফর
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী কিংবা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্ট এর ওয়েবসাইটে এ তথ্য নিশ্চিত করা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বাংলাদেশ চিন্তিত নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। গতকাল শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র গণতান্ত্রিক দেশ, তেমনি আমরাও।’ মার্কিন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সন্ধ্যায় (স্থানীয় সময়) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছেছেন। শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে লোটে নিউ ইয়র্ক প্লেস অব রেসিডেন্স ত্যাগ করে সন্ধ্যা ৬টায় সড়কপথে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে এখন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের কোনো সুযোগ নেই এবং লঙ্ঘনকারীদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তিনি বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও সংবিধান লঙ্ঘন করে কেউ যদি ক্ষমতায় আসে,
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির জন্য দায়ী বা এতে সহযোগিতাকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে এ কথা জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন