ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে বিএনপি জয়ী হবে বলে মনে করেন দেশের ৬৬ শতাংশ মানুষ। নির্বাচন নিয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিমেকারস কনসাল্টিং লিমিটেডের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন তা জানতে প্রথম আলোর উদ্যোগে জরিপ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিমেকারস কনসাল্টিং লিমিটেড।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি খুবই ধীরগতিতে হচ্ছে। ফলে সার্বিক অবস্থা অনেকটাই অপরিবর্তিত আছে। কারণ, একটি জটিলতা কেটে গেলে নতুন করে আরেকটি জটিলতা দেখা দেয়। দীর্ঘদিনের পুরনো লিভারের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল আগামীকাল বুধবার ঘোষণা করা হচ্ছে। এ দিন সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তফসিল ঘোষণা করবেন। তফসিলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে
জনগণ দায়িত্ব দিলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাশাপাশি আগামী দিনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও শক্তভাবে চালাতে বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরেন
আগামী নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের নির্বাচিত না করার আহ্বান জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজদের ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করলে দেশে দুর্নীতি অনেকটাই কমে আসবে। তখন আর
সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার ৩১ জন কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এজন্য সিইসির ভাষণ রেকর্ড করা হবে ১০ ডিসেম্বর। সোমবার (৮
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘নির্বাচনের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি চলমান। উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটের প্রেক্ষাপটে সব ধরনের পূর্ব প্রস্তুতিই এগোচ্ছে।’ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) আইনশৃঙ্খলা
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর মেডিকেল বোর্ড। রবিবার সিটিস্ক্যানসহ বেশ কিছু পরীক্ষা করা হয়, যেগুলোর রিপোর্ট সন্তোষজনক। ফলে বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেশেই চিকিৎসা