রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ, দাবি নাহিদ ইসলামের গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে : মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী ‘আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারও মধ‍্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই : মঞ্জু অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ ‘নেইমার সার্কাস’ পেছনে ফেলে মরক্কোকে হারাতে কতোটা প্রস্তুত ব্রাজিল? ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে ফেলে আসা লাগেজ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৫

বান্দার চাওয়া

এনবিডি নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪৩ বার

আল্লাহ আমাদের প্রভু। সৃষ্টিকর্তা। বান্দা হিসেবে আমাদের করণীয় হচ্ছে, মনিব যা যা আদেশ করবেন, যা যা হতে বারণ করবেন সেসব অবনত মস্তকে মেনে নেয়া। কোনোরূপ প্রশ্ন ছাড়াই তাঁর প্রতি অনুগত থাকা। এটা গোলামের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়।

মালিক ও চাকরের কথাই বলা যায়। একজন মনিব যখন তার গোলামকে কোনো কিছু করতে বা না করতে বলেন তখন গোলাম বিনা প্রশ্নে মাথা পেতে তা মেনে নেয়। কারণ না মানলে মালিক অসন্তুষ্ট ও নাখোশ হবেন। এমনকি প্রয়োজনে শাস্তিও দিতে পারেন। এটা হচ্ছে, দুনিয়ার বাস্তবতা। এই বাস্তবতাকে আমরা অকপটে স্বীকার করলেও সব মালিকের মালিক, এই পৃথিবীর মহান অধিপতি আল্লাহ তায়ালার বেলায় এটি নিতান্তই ভুলে যাই আমরা। কারণ তিনি আমাদের কোনো শাস্তি দেন না। বরঞ্চ ভুল হয়ে গেলে তাঁর কাছে একটু বিগলিত মনে অনুতপ্ত হলে উল্টো ক্ষমা করে দেন। কত মেহেরবান তিনি! কত পার্থক্য এই দুই মনিবের মাঝে!!
আবার যখন কোনো গোলামকে কোনো মনিব কিনে নিয়ে যায় তখন সে গোলামের নিজস্ব কোনো স্বাধীনতা আর থাকে না। বরং সে সম্পূর্ণরূপে হয়ে যায় মালিকের অধীন। মালিকের বশীভূত। মালিকের মনমতোই তাকে প্রতিটি কাজ করতে হয়; কিন্তু আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। সেই সাথে নিজেদের স্বাধীনতাও দান করেছেন। আর তাই আমরা নিজের ইচ্ছেমতো চলতে পারি। যখন যা চাই করতে পারি। শুধু একটাই চাওয়া তাঁর আমাদের কাছে, তাঁর ইবাদত করা।
কুরআনে কারিমের সূরা যারিয়াতের ৫৬ ও ৫৭ নম্বর আয়াতে তিনি ইরশাদ করেন :

‘আমি জিন ও মানবজাতিকে শুধু আমার ইবাদত করার জন্যই সৃষ্টি করেছি। তাদের থেকে আমি কোনো রিজিক চাই না, চাই না তারা আমাকে আহার করাক।’
কত ছোট্ট একটি চাওয়া, না আমাদের স্বাভাবিক চলাকে ব্যাহত করছে আর না অন্য কোনো প্রভাব বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, অথচ এইটুকু কাজই আমরা করতে পারি না। নানান অজুহাত আর ব্যস্ততার দোহাই দিই। তাহলে কিভাবে আমরা পার পেয়ে যাবো পরকালে! আল্লাহ কি আমাদেরকে ছেড়ে দেবেন! দুনিয়ার মনিবরা কি এমনটি ঘটলে ছাড় দিতো!

এ জন্য আসুন, আল্লাহর দিকে পূর্ণ মনোযোগী হই। তাঁর এই সামান্য চাওয়াকে মাথা পেতে মেনে নিই। তিনি বলেছেন : ‘রাসূল সা: তোমাদেরকে যা দেন (নিয়ে এসেছেন), তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।’ (সূরা হাশর : ৭)
এই আয়াত অনুযায়ী যদি আমরা নিজেদের জীবনকে গঠন করতে পারি তাহলে আমাদের আর কোনো ভয় নেই।

লেখক :

  • নাঈমুল হাসান তানযীম

যাত্রাবাড়ী, ঢাকা থেকে

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com