

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিতে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। এতেরাজধানীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর থেকে (২ ডিসেম্বর) যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, দুপুর দেড়টার দিকে দাবি আদায়ে দোকানপাট বন্ধ রেখে যমুনা ফিউচার পার্কে থাকা শপিংমলের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা বিক্ষোভে যোগ দেন। প্রথম দিকে তারা সড়কের পাশেই অবস্থান নেন। কিন্তু পরে সড়ক দখল করেন বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এতে উত্তরা–রামপুরা এবং বিমানবন্দর–কুড়িল অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা নগরীর বিভিন্ন সড়কে ছড়িয়ে পড়লে ভোগান্তিতে পড়েন গুলশান, বারিধারা ও উত্তরার যাত্রীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর কার্যকর করার আগে সরকারের উচিত ছিল বাজারের বড় অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করা। কাঠামোগত সংস্কার, করনীতির পরিষ্কার নির্দেশনা এবং বাজারে যেকোনো ধরনের একচেটিয়া প্রভাব বন্ধে সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা চাইছেন তারা।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন জানান, সরকার আলোচনার কোনো উদ্যোগ না নিলে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা রাজধানীতে জমায়েত হয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন।
বিক্ষোভ চলাকালীন দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ আসে। তারা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায়ে তাদেরকে সড়ক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়ক খালি করতে বলা হয়। এরপর তারা সড়ক ছেড়ে চলে যান।
গুলশান ট্রাফিকের এডিসি জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সড়কটিতে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিয়েছিল। পরে প্রশাসনের লোকজন গেলে তারা তাদের সঙ্গে কথা বলে সরিয়ে দেন। এখন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর রাজধানীর কারওয়ানবাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। সেদিনও পুরো নগরীতে যানজট সৃষ্টি হয়ে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।