

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনী প্রস্তুতিতেবিএনপির জোট থেকে জামায়াত ও এনসিপির জোট অনেকখানি এগিয়ে রয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিনিধি দলের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানিয়েছি, লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে আমাদের এখন পর্যন্ত আত্মবিশ্বাস নেই।
একটি বিশেষ দলকে সুবিধাকে করে দিতে সিগন্যালিং করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ঋণ খেলাপি থাকা অনেকের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নানাভাবে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করি।
আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির অবস্থান শিগগিরই স্পষ্ট হবে। আগামী ১১ বা ১২ তারিখের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
মিডিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি বা এনসিপিকে নিয়ে মেইন স্ট্রিম মিডিয়াতে নানা ধরনের নেতিবাচক নিউজ বা ফলস নিউজ। বিশেষত কয়েকটি মিডিয়াতে এটি টার্গেটভাবে করা হচ্ছে। তো এটা আসলে আমাদের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রশাসনিকভাবে বা মিডিয়ার জায়গা থেকে সেই সুযোগ-সুবিধাটা কিন্তু সমভাবে যাতে হয়, সেটা আমাদের চাওয়া থাকবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। ইইউ চায় নির্বাচন সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক ও গ্রহণযোগ্য হোক, যাতে ফল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর নির্বিঘ্ন হয়। এ জন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় নির্বাচনী মাঠে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। হত্যাকারীরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে।