

পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী বৃহস্পতিবার। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে মুসলিম সম্প্রদায় অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করবে। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ ও করুণা লাভের আশায় ঈদের জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুয়ায়ী পশু কোরবানি করবেন। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ঈদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সারা দেশে মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামপর্যায়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম গতকাল এক ব্রিফিংয়ে জানান, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট ক্ষেত্রফল প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে ঈদগাহের প্যান্ডেলের ক্ষেত্রফল ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার। ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে তিনি জানান। ঈদ জামাতে ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষের জন্য ৫টি ও নারীর জন্য ১টি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লির জন্য ৬৫টি বড় আকারের কাতার এবং নারী মুসল্লির জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার থাকবে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঈদগাহ ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, নামাজের জন্য কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে। এ ছাড়া নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ পথ ও নামাজ আদায়ের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ঈদ জামাত কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা এবং বৃষ্টির পানি নিরোধক শামিয়ানার ব্যবস্থা করা হয়েছে।