শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায়

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ২ বার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানিসহ অন্যান্য অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্য আফ্রিকার অস্থিতিশীল দেশ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রতে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই আইনজীবী ও এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা গেছে- এই পরিকল্পনার আওতায় থাকা ইরানি নাগরিকদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন যারা নিজ দেশে ফিরে গেলে নির্যাতনের শিকার হতে পারেন। তাদের আইনজীবী এমিলি ট্রস্টলের দাবি, একজন খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং অন্যজন গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে, যার আওতায় তৃতীয় দেশে বিতাড়িত অভিবাসীদের গ্রহণ করার কথা রয়েছে দেশটির। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম দফায় প্রায় ২০ জন অভিবাসীকে নিয়ে একটি ফ্লাইট পাঠানো হতে পারে, যেখানে ইরান ছাড়াও সিরিয়া ও আফগানিস্তানের নাগরিকরাও থাকতে পারেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তালিকাভুক্ত কিছু অভিবাসনপ্রত্যাশী যুক্তরাষ্ট্রে ‘উইথহোল্ডিং অব রিমুভাল’ নামক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন। এই সুরক্ষা অনুযায়ী, নিজ দেশে ফেরত পাঠালে নিপীড়নের আশঙ্কা থাকলে তাদের ফেরত না পাঠানোর কথা। তবুও তাদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই এই ফ্লাইটটি ছেড়ে যেতে পারে। একই ফ্লাইটে একজন তুর্কি নাগরিকও থাকতে পারেন, যিনি রাজনৈতিক নিপীড়নের কারণে নিজ দেশ ছেড়েছিলেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এসব চুক্তিতে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নেই এবং অনেক ক্ষেত্রে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব অভিবাসীকে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পাঠানো হবে, তাদের রাজধানী বাঙ্গুইয়ে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে শত শত অভিবাসীকে এভাবে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com