

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, কর বৃদ্ধি ছাড়াও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। মরক্কোসহ কয়েকটি দেশে ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস পদ্ধতি চালুর পর অবৈধ সিগারেটের বাজার উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রযুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ‘বিদ্যমান ব্যান্ডরোল বা স্ট্যাম্পব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে। এর অংশ হিসেবে স্ট্যাম্পের রং, আঠার প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আনা হবে, যাতে তা সহজে নকল বা অপসারণ করা না যায়। একই সঙ্গে প্রতিটি প্যাকেটে অটোমেটেড কিউআর কোড বা অনুরূপ ডিজিটাল শনাক্তকারী কোড যুক্ত করা হবে। যে-কেউ চাইলে এ কোড স্ক্যান করে যাচাই করতে পারবেন পণ্যে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে কি না। কেউ কর ফাঁকির প্রমাণ দিয়ে আমাদের তথ্য দিলে তার জন্য বড় অঙ্কের পুরস্কারের ব্যবস্থাও রাখা হবে।’
আবদুর রহমান খান আরও বলেন, ‘উৎপাদন পর্যায় থেকেই এ কোডিংব্যবস্থা চালু থাকবে এবং কারখানা থেকে বাজার পর্যন্ত পুরো সরবরাহশৃঙ্খল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা হবে। অবৈধ সিগারেট উৎপাদন বা বিপণনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’