

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে রেজাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা শুরুর জন্য ইরান তার ৭টি শর্ত স্পষ্ট করেছে। তেহরানের বার্তা অত্যন্ত পরিষ্কার ও দ্ব্যর্থহীন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে কাতার ও পাকিস্তান।
ইরানি নিরাপত্তা প্রধান বলেন, পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর এবং আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত মার্কিন নৌ-ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে তাদের বর্তমান সামরিক কৌশল সাজানো হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজ বা বিমানবাহী রণতরীর কাছে একাধিক ওয়ারহেডযুক্ত একটি জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি প্রসঙ্গে রেজাই জানান, পরমাণু অস্ত্র অপ্রসারণ চুক্তি (এনপিটি) থেকে সরে আসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো তেহরান নেয়নি। তবে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ ইরানকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের পারমাণবিক নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার (ফতোয়া) বিধান তারা এখনো মেনে চলছে।