

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ৮.৫৪ শতাংশ বেড়ে ৩.৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (৩৯৩ কোটি ডলার) দাঁড়িয়েছে। তৈরি পোশাক খাতের ধাপে ধাপে ঘুরে দাঁড়ানো সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে মূল ভূমিকা রেখেছে।
এ নিয়ে টানা দুই মাস রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হলো। এর ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশে।
সেপ্টেম্বরেও দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) ভালো প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। এ মাসে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০৮ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের ২৮৪ কোটি ডলারের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি।
পোশাকের পাশাপাশি কয়েকটি নন-আরএমজি খাতেও রপ্তানি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানিও বেড়েছে ২২ দশমিক ৭২ শতাংশ।
এ ছাড়া হোম টেক্সটাইল খাতে রপ্তানি আয় ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রপ্তানি ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে প্রধান রপ্তানি খাতগুলোর মধ্যে সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ওষুধ শিল্পে। ইপিবির উপাত্ত অনুযায়ী, এ খাতে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।