বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার হবে: ইউজিসি চেয়াররম্যান প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার পর ১৯তলা থেকে লাফ, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন তরুণী! পৌনে ৭ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬,১২৫ ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘বেআইনি সমকামী বিয়ে’, বিচার চাইলেন ১২৩০ নাগরিক ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে শিশুকে হেফাজতে পেল মা নির্দেশ অমান্য করে হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে পাশবিক নির্যাতন! ভিডিও ভাইরাল

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৭১ বার

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মধ্যযুগীয় কায়দায় গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার জামতৈল কলেজপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ছাগল চুরির সন্দেহে ওই ব্যক্তিকে রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে তার হাতের নখগুলো প্লাস দিয়ে ভেঙে ফেলেছেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী হ্যাপি। এ সময় ভুক্তভোগী ব্যক্তি চিৎকার করতে থাকেন। আর ব্যবসায়ী হ্যাপি বলতে থাকেন, ‘অন্য চোরদের নাম বল, নাম না বলা পর্যন্ত আঙ্গুল সবগুলো ভাঙবো তার আগে ছাড়বো না। ওকে মেরে ফেলবো না, কিন্তু ওর হাত-পা ভাঙবো তারপর ছেড়ে দেবো।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে ছাগল চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন হ্যাপি ও তার ছেলে। আর না মারার জন্য ওই ব্যক্তি বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কথা শোনেননি তারা। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিকে না মেরে পুলিশে দেওয়ার কথা বললেও তারা তাকে মারতেই থাকেন। নির্যাতনের প্রায় দুই ঘণ্টা পর ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেন হ্যাপি।

হ্যাপি এ বিষয়ে বলেন, ‘এর আগে আমার একটি ছাগল হারিয়েছে। আবার আরেকটি ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় ছাগলসহ হাতেনাতে ধরে দু-একটা চড়-থাপ্পর দিয়ে ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেই। এ ব্যাপারে থানা থেকে পুলিশ এসেছিলেন। আমি বাড়িতে না থাকায় মুঠোফোনে থানার লোকদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্যাতিত ও নির্যাতনকারী কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com