রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘২ মিনিটে শেষ করেন, বাকি কথা টকশোতে বলবেন’, নিলোফার চৌধুরী মনিকে স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর : বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শ্রমবাজারে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী গাজীপুরে যুবলীগের মিছিল, পুলিশ দেখে ‘সামনে আসবি না, মাইরা ফালামু’ বলে হুমকি এটা শাহবাগ চত্বর নয়, জাতীয় সংসদ : হান্নান মাসুদকে স্পিকার ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর আল-জাজিরার বিশ্লেষণ, ফাটল ধরতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটে, ইরানের সামনে ‘বড় সুযোগ’ কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত গুলি করতে করতে হেঁটে যাচ্ছেন যুবক, ভিডিও ভাইরাল মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

দুই পরিবর্তনসহ ইসি গঠন বিলের প্রতিবেদন সংসদে

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৭৭ বার

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে করা আইনের খসড়ায় দুটি পরিবর্তনের সুপারিশ করে জাতীয় সংসদে প্রতিবেদন দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আজ বুধবার সংসদ অদিবেশনে কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার ‘নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২’ পরীক্ষা করে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

এর আগে গত রোববার বিলটি জাতীয় সংসদে উত্থাপনের পর তা পরীক্ষা করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল।

সংসদে উত্থাপিত বিলে সিইসি ও কমিশনারদের যোগ্যতাসংক্রান্ত ধারায় বলা হয়েছিল, ‘সিইসি ও কমিশনার হতে গেলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদে তাঁর অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।’ এই ধারায় কিছুটা সংশোধনী এনে সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত পদ বা পেশায়’ ‍যুক্ত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

এ ছাড়া অযোগ্যতার ক্ষেত্রে ৬(ঘ) ধারায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এ ধারায় বলা হয়েছিল, ‘নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সিইসি ও কমিশনার হওয়া যাবে না।’ এখানে দুই বছরের কারাদণ্ড উঠিয়ে শুধু ‘কারাদণ্ড’ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে যেকোনো মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি সিইসি বা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতোপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

নিয়ম অনুযায়ী, এখন সংসদের আগামী বৈঠকে বিলটি পাসের প্রস্তাব করবেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ওইদিন বিল নিয়ে সাংসদেরা আলোচনা ও সংশোধনী প্রস্তাবের সুযোগ পাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com