

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। আজ রবিবার সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু দৈনিক ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা হিসেবে বার্ষিক চাহিদা দাঁড়ায় ৩৮.০৯ লাখ মেট্রিক টন। অথচ একই সময়ে দেশে মোট মাছ উৎপাদন হয়েছে ৫১.১১ লাখ মেট্রিক টন, ফলে দেশে মাছের কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট মৎস্য উৎপাদনের তুলনায় আমদানিকৃত মাছের পরিমাণ মাত্র প্রায় ১ শতাংশ। এ সময়ে বিভিন্ন প্রজাতির ৫৫ হাজার ৫৪ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।
মন্ত্রী বলেন, দেশে মাছের ঘাটতি নেই এবং সাধারণ ভোক্তার জন্য আমদানির প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ভোক্তা গোষ্ঠীর চাহিদা ও রুচি পূরণের জন্য সীমিত পরিসরে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ আমদানি করা হয়।
তিনি জানান, আমদানিকৃত মাছের মধ্যে রয়েছে টুনা, হেরিং ফিশ, রূপচাঁদা, ম্যাকেরেল, ছুরি, স্ন্যাপার, কিং ফিশ, স্কুইড, অক্টোপাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রজাতি।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে টেকসই ও উৎপাদনমুখী রাখতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে।