রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ, দাবি নাহিদ ইসলামের গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে : মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী ‘আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারও মধ‍্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই : মঞ্জু অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ ‘নেইমার সার্কাস’ পেছনে ফেলে মরক্কোকে হারাতে কতোটা প্রস্তুত ব্রাজিল? ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে ফেলে আসা লাগেজ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৫

মধ্যপ্রাচ্যেও তাপদাহ, আরো নির্মম হবে আবহাওয়া!

এনবিডি নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩
  • ১৪৫ বার

গরম এখন সব দেশেরই সঙ্কট। গ্রীষ্মের তাপদাহে সকলেই ব্যতিব্যস্ত। মধ্যপ্রাচ্যও গরমের তীব্রতার জন্য খ্যাত। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক। ওই দেশেও গরমের ঝাপটায় অস্থির মানুষ। ইরাকে তাপমাত্রা কখনও কখনো ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসও ছাড়িয়ে যায়! এই অবস্থায় কিভাবে বাঁচেন এ দেশের মানুষ? কী করে চালিয়ে যান দৈনন্দিন কাজকর্ম, চাকরি বা ব্যবসা-বাণিজ্য?

উত্তরটা লুকিয়ে এদের জীবনযাপনের মধ্যেই। ইরাকের সাধারণ মানুষ জানায়, তারা টিভি চ্যানেল থেকে আবহাওয়ার খবরটা আগেই পেয়ে যায়। মানসিক প্রস্তুতি থাকেই। তাপমাত্রা বাড়লে মানুষ ঘর থেকে খুব একটা বের হয় না। মূলত ঘরেই থাকে। অত্যধিক গরম পড়লে পশু-পাখিদেরও কষ্ট হয়। পাখি বা অন্য প্রাণীদের জন্য গাছের নিচে পানি রেখে আসে তারা। মোট কথা, তীব্র দাবদাহের সময় প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নিয়ে বাঁচার কৌশল নিজে নিজেই শিখে নেয় ইরাকের মানুষ।

কিন্তু হঠাৎ কেন মধ্যপ্রাচ্যের গ্রীষ্ম নিয়ে আলোচনা? মে মাসে প্রকাশিত সায়েন্স জার্নাল ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ১.৫ শতাংশের চেয়েও বেশি বাড়বে। আর তার জেরে ভয়াবহ এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে!

আবার এপ্রিলেই ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল ‘ল্যানসেট’ আগামী কয়েক দশকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ব্যাপক হারে বাড়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কী অবস্থা হতে পারে, তা নিয়ে একটা সমীক্ষা প্রকাশ করেছিল। এতে বলা হয়েছিল, তীব্র দাবদাহের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে মৃত্যুহার অনেক বাড়বে। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে তাপদাহজনিত রোগে ভুগে প্রতি এক হাজারে দু’জনের মৃত্যু হয়। এ সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১২৩-য়ে! আশঙ্কা করা হয়েছে, তাপদাহ বাড়তে থাকলে এই শতকের শেষে শুধু ইরাকেই মারা যেতে পারে এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষ!

‘ল্যানসেটে’র সমীক্ষায় আরো আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার কমবে না। তবে দাবদাহের কারণে মৃত্যুর ৮০ শতাংশই ঘটতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। বড় বিপর্যয় এড়াতে হলে গ্লোবাল টেম্পারেচার বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
সূত্র : জি নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com