শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালের কারাগারে অনশনরত গাদ্দাফির ছেলে

এনবিডি নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ৭৭ বার
ছবি : সংগৃহীত

লিবিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে হানিবাল গাদ্দাফি গত তিন সপ্তাহ ধরে অনশন করেছেন। এতে স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্যায়ভাবে আটকের প্রতিবাদে তিনি এ অনশন করেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে মামলার সাথে সম্পৃক্ত এক কর্মকর্তা।

শুক্রবার (২৩ জুন) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই কর্মকর্তার সূত্রে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৩ জুন থেকে অনশন শুরু করেন হানিবাল গাদ্দাফি। এ সময় তিনি কেবল সামান্য পানি খেয়েই টিকে ছিলেন। অবশেষে বুধবার রক্তচাপ কমে যাওয়া ও মেরুদণ্ডে প্রদাহের কারণে বৈরুতের হোটেল-ডিউ ডি ফ্রান্স হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। এ সময় তাকে সিরাম, অ্যান্টিবায়োটিক ও খাদ্য সম্পূরক দেয়া হয়। পরে স্বাস্থ্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে হলে ফের কারাগারে নেয়া হয়।

কর্মকর্তা আরো জানান, একটি ছোট ঘরে বন্দী থাকার কারণে হানিবাল গাদ্দাফি পিঠের ব্যথায় ভুগছিলেন। সেখানে তিনি অবাধে চলাফেরা করতে পারেন না। পারেন না শরীরচর্চাও করতে।

হানিবাল গাদ্দাফিকে ২০১৫ সালে লেবানন থেকে আটক করা হয়। সেখানে তিনি রাজনৈতিক শরণার্থী হিসেবে ছিলেন। মূলত ৪৫ বছর আগে লিবিয়া থেকে নিখোঁজ লেবানিজ শিয়া ধর্মগুরু মুসা আল-সদরের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য নেয়ার জন্য তাকে আটক করা হয়। পরে লেবানন পুলিশ ঘোষণা দিয়েছিল যে তারা হ্যানিবলকে উত্তর-পূর্বের শহর বালবেক থেকে আটক করেছে। এরপর থেকে তাকে বিনা বিচারে বৈরুতের কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।

ধর্মগুরুর পরিবার বিশ্বাস করে, আল-সদর এখনো লিবিয়ার কোনো কারাগারে জীবিত থাকতে পারেন। অবশ্য বেশির ভাগ লেবাননের ধারণা, আল-সদর মারা গেছেন। বেঁচে থাকলে এখন তার বয়স হবে ৯৪ বছর।

আল-সদর ছিলেন আমাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। এটা লেবানিজ প্রতিরোধ ব্রিগেডের সংক্ষিপ্ত রূপ। দলটি পরে লেবাননের ১৯৭৫-১৯৯০ গৃহযুদ্ধে লড়াই করেছিল। লেবাননের শক্তিশালী পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি এই দলের প্রধান।

আল-সদরের বেশিরভাগ কর্মী বিশ্বাস করে যে মুয়াম্মার গাদ্দাফি লেবানিজ মিলিশিয়াদের লিবিয়ার অর্থ প্রদানের বিরোধে আল-সদরকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তারা আরো বিশ্বাস করে, আল-সদর ও তার দুই ভ্রমণ সঙ্গী ১৯৭৮ সালে রোমের একটি ফ্লাইটে ত্রিপোলি ছেড়েছিলেন। এ সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি শিয়াদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ের শিকার হয়েছেন।

মুয়াম্মার গাদ্দাফি ২০১১ সালে বিরোধী যোদ্ধাদের হাতে নিহত হন। এর মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে তার চার দশকের শাসনের অবসান ঘটে।

আল-সদর নিখোঁজ হওয়ার দুই বছর আগে হানিবাল গাদ্দাফির জন্ম হয়েছিল।

সূত্র : আরব নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com