শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী চোট কাটিয়ে অনুশীলনে মার্তিনেজ, আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৩০ বছরের কারাদণ্ড ‘নিজের চেষ্টায় উন্নত হতে হবে’, চীনের উদাহরণ টানলেন মির্জা ফখরুল সেরা ৬৭ জন করদাতা পাবেন পুরস্কার, থাকছে বিশেষ সুবিধা

ইউক্রেনকে ক্লাস্টার বোমা দিতে আপত্তি জার্মানির

এনবিডি নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩
  • ১৩২ বার
ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনকে ক্লাস্টার বোমা দেয়ার কথা বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাতে আপত্তি জানিয়েছে জার্মানি।

ক্লাস্টার বা ছড়রা বোমা। এই বোমা ফাটালে এক সাথে অনেক মানুষকে আঘাত করা যায়। কারণ বোমার ভেতর রাখা অসংখ্য স্প্লিন্টার চারিদিকে ছড়িয়ে গিয়ে শত্রুকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ইউক্রেনকে এ ধরনের ক্লাস্টার বোমা দিতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।

২০০৮ সালে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার যেন না হয়, তার জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল। জার্মানি ওই চুক্তির অন্যতম দেশ। চুক্তিতে বলা হয়েছিল, এ ধরনের বোমা বেসামরিক মানুষের ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ, এই বোমা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে না। চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। ফলে এই বোমা ব্যবহার করলে বহু মানুষ আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে এবং সেখানে বেসামরিক মানুষেরাও আক্রান্ত হতে পারেন।

রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করার পর অভিযোগ উঠেছিল, বেশ কিছু জায়গায় রাশিয়ার সেনা ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এবার ওই ক্লাস্টার বোমা ইউক্রেনের হাতে তুলে দেয়ার কথা বলা হচ্ছে।

ক্লাস্টার বোমাবিরোধী চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র নেই। ফলে ইউক্রেনকে এ ধরনের বোমা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আইনি সমস্যা নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর অংশ। ন্যাটো ইউক্রেনকে কোনো অস্ত্র দিলে সেখানে ন্যাটোর সমস্ত দেশের সবুজ সংকেত প্রয়োজন। ফলে জার্মানি সমস্যায় পড়েছে।

জার্মান চ্যান্সেলর ওলফ শলৎস অবশ্য বিষয়টি থেকে দূরত্ব তৈরির কৌশল নিয়েছেন। বুধবার বার্লিনে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ক্লাস্টার বোমার পক্ষে কথা বলেছে।

জার্মানি যে অবস্থান নিতে চলেছে তা হলো, যুক্তরাষ্ট্র একটি সার্বভৌম দেশ। ইউক্রেনকে ব্যক্তিগতভাবে তারা এই বোমা দিচ্ছে। জার্মানি এই বোমা সমর্থন করে না ঠিকই, কিন্তু তারা নিষেধ করার জায়গাতেও নেই।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইউক্রেনকে কী ধরনের অস্ত্র দেয়া হবে, তা নিয়েও রীতিমতো সমস্যায় পড়েছিল জার্মানি। প্রাথমিকভাবে জার্মানির অভিমত ছিল, কেবলমাত্র রক্ষণাত্মক অস্ত্রই দেয়া হোক ইউক্রেনকে। পরে অবশ্য তারা আক্রমণাত্মক অস্ত্রও দিয়েছে। এবার ক্লাস্টার বোমা নিয়ে একই সমস্যায় পড়েছে জার্মানি।

কেন ক্লাস্টার বোমা প্রয়োজন
ইউক্রেন জানিয়েছে, তাদের অস্ত্র ও গোলা-বারুদ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজন মতো অস্ত্রের জোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র তৈরির সবচেয়ে বড় দেশ। তারাও ইউক্রেনকে অস্ত্র জোগান দিয়ে উঠতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ক্লাস্টার বোম দিতে চাইছে ইউক্রেনকে। কারণ এই বোমা এক সাথে অনেককে ঘায়েল করা যায়। ইউক্রেনও এই বোমা পেতে উৎসাহী।

সাম্প্রতিক ন্যাটোর সম্মেলনে জার্মানি ইউক্রেনের জন্য ৭০০ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্রের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। কিন্তু ওই অস্ত্র কতদিনে দেয়া যাবে, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন জানিয়েছে, রাশিয়াকে পরাস্ত করার জন্য যত দ্রুত সম্ভব তাদের আরো অস্ত্র প্রয়োজন।
সূত্র : ডয়চে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com