রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ, দাবি নাহিদ ইসলামের গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে : মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী ‘আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারও মধ‍্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই : মঞ্জু অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ ‘নেইমার সার্কাস’ পেছনে ফেলে মরক্কোকে হারাতে কতোটা প্রস্তুত ব্রাজিল? ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে ফেলে আসা লাগেজ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৫

শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে ইনহেলারের ভূমিকা

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ৩৩৫ বার

শ্বাসনালি ও ফুসফুসজনিত জটিলতায় সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট নিরাময়ের প্রধান ওষুধ ইনহেলার বা উচও. এটি একটি ডিভাইস, যার ভেতরে শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খুব স্বল্পমাত্রায় বাতাসের সঙ্গে মিশিয়ে উচ্চচাপে রাখা হয়। শ্বাসকষ্ট দ্রুত নিরাময়ের জন্য ফুসফুসে পৌঁছানোর জন্য এটা একটি উৎকৃষ্ট পদ্ধতি।

কেন এ পদ্ধতি : শ্বাসকষ্ট দ্রুত ও সফলভাবে নিরাময়ের মূল ওষুধগুলো পাকস্থলীর মাধ্যমে বা শিরাপথে শরীরে পৌঁছাতে যে পরিমাণে ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়, তা মানবদেহে নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে থাকে। যেমনÑ হৃদকম্পন বৃদ্ধি, শরীরে পানি জমা, পাকস্থলীতে আলসার ইত্যাদি। উচও-এ ওষুধের মাত্রা থাকে অল্প এবং তা সরাসরি শ্বাসনালির মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছায়। এর তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

যে ধরনের ওষুধ দিয়ে তৈরি : সফলভাবে শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে চিকিৎসকরা সাধারণত দু’ধরনের ইনহেলার লিখে থাকেন। এর একটির নাম ব্রঙ্কো ডাইলেটারসমৃদ্ধ উচও, যাতে ওষুধ হিসেবে থাকে সালবিউটামল ও সালমেটেরল। দ্বিতীয় প্রধান উচও-এ উপাদান হিসেবে থাকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি স্বল্পমাত্রায় স্টেরয়েড। এ দুটি ছাড়াও আরও কিছু উপাদান ও ওষুধ মিশ্রিত উচও বাজারে পাওয়া যায়। ব্রঙ্কো ডাইলেটরসমৃদ্ধ উচও-এর কাজ হলো তাৎক্ষণিক কাশি বা শ্বাসকষ্ট কমিয়ে দেওয়া। স্টেররেড উচও-এর মূল কাজ হলো দীর্ঘমেয়াদে শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে বা নিয়ন্ত্রণ।

করণীয় : যেহেতু শ্বাসকষ্ট নিরাময়ের জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আধুনিক ওষুধ উচও, তাই এ বিষয়ে চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মী, ওষুধ বিক্রেতা, রোগী ও তার স্বজন থেকে প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে। এ জন্য যা করতে হবে তা হলোÑ রোগী ও তার স্বজনদের উচও-এর প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে চিকিৎসকদের পরিপূর্ণভাবে বুঝিয়ে ও শিখিয়ে দিতে হবে।

রোগী সঠিক মাত্রায়, সঠিক সময় পর্যন্ত এবং সঠিকভাবে উচও ব্যবহার করছে কিনা, তা ঋড়ষষড়ি করা। স্বাস্থ্যকর্মী, সেবক বা সেবিকা কিংবা ওষুধ বিক্রেতাদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া জনসচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com