শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের মানচিত্র নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য আসামের মুখ্যমন্ত্রীর

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
  • ১২৪ বার

বাংলাদেশের মানচিত্র নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের নিজস্ব দুটি ‘চিকেন নেক’ বা সংকীর্ণ করিডোর রয়েছে, যেগুলো নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজনে রংপুর ও চট্টগ্রাম অঞ্চল বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

রবিবার (২৫ মে) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট দিয়ে তিনি বাংলাদেশের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন এবং সেখানে দুইটি করিডোর চিহ্নিত করে ওই মন্তব্য করেন। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি সোমবার (২৬ মে) এ খবর প্রকাশ করে।

পোস্টে হিমন্ত লেখেন, ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর নিয়ে যারা বারবার হুমকি দেন, তারা যেন মনে রাখেন—বাংলাদেশেরও রয়েছে এমন দুটি চিকেন নেক, যেগুলো ভারতের তুলনায় আরও বেশি স্পর্শকাতর ও ভঙ্গুর।

তিনি দাবি করেন, আমি কেবল ভৌগোলিক বাস্তবতা তুলে ধরছি, যা অনেকেই ভুলে যান।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী চিহ্নিত দুটি করিডোরের মধ্যে প্রথমটি ‘উত্তর বাংলাদেশ করিডোর’। এটি ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের সঙ্গে সংযুক্ত দক্ষিণ-পশ্চিম গারো পাহাড় পর্যন্ত বিস্তৃত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ কিলোমিটার। তার ভাষায়, এই করিডোর ব্যাহত হলে রংপুর পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

দ্বিতীয় করিডোরটি চট্টগ্রাম করিডোর হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি, যা ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামকে যুক্ত করে রেখেছে। মাত্র ২৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই পথ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র—ঢাকা ও চট্টগ্রামের সংযোগস্থল। শর্মার মতে, এই করিডোর বিচ্ছিন্ন হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবাহে বড় ধাক্কা লাগবে।

ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এটি কৌশলগত দিক থেকে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, বিচ্ছিন্ন হলে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা হয়ে যাবে। ফলে এই অঞ্চল ঘিরে আরও উন্নত রেল ও সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com