শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

সাইফ আলি খানের ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিচ্ছে মোদি সরকার

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৩ বার

চলতি বছরটা একের পর এক ধাক্কা নিয়ে এসেছে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের জীবনে।

বছর শুরুর দিকে নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হওয়ার পর এবার আরও বড় বিপদের মুখোমুখি হলেন ‘নবাব’ খ্যাত এই অভিনেতা।

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া হতে চলেছে তার।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, পতৌদি পরিবারের ঐতিহাসিক এই সম্পত্তি সরকারের অধিগ্রহণের পথে রয়েছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট সাইফ আলি খানের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

এর ফলে সম্পত্তিটি ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে সরকারের হস্তগত হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

যেভাবে শুরু হলো এই বিতর্ক

বিতর্কের সূচনা ২০১৪ সালে, যখন মধ্যপ্রদেশ সরকার ঘোষণা দেয়—ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খানের সম্পত্তি ‘এনেমি প্রোপার্টি অ্যাক্ট ১৯৬৮’-এর আওতায় আনা হবে।

কারণ, নবাবের জ্যেষ্ঠ কন্যা আবিদা সুলতান ১৯৫০ সালে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে চলে যান। সরকারের যুক্তি—বিদেশে বসবাসরত উত্তরাধিকারীর সম্পত্তি এখন রাষ্ট্রের মালিকানায় পড়বে।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে আদালতের দ্বারস্থ হন সাইফ আলি খান।

দীর্ঘ সময় মামলাটি স্থগিত থাকলেও ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়।

আর চলতি বছরের জুলাইয়ে আদালত সাইফের আবেদন চূড়ান্তভাবে খারিজ করে দেয়।

শত্রু সম্পত্তি আইনের পটভূমি

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় প্রণীত ‘এনেমি প্রোপার্টি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, যেসব নাগরিক ভারত ছেড়ে পাকিস্তান বা চীনে স্থায়ী হন, তাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তি রাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।

ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খান ছিলেন সাইফ আলি খানের দাদার শ্বশুর। তার কন্যা সাজিদা সুলতান, যিনি ভারতে থেকে যান, তিনিই আইনত এই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। সাইফ আলি খান তারই নাতি।

২০১৯ সালে আদালত স্বীকৃতি দিয়েছিল সাজিদা সুলতানের উত্তরসূরি হিসেবে সাইফ আলি খান সম্পত্তির দাবিদার। কিন্তু তার ফুফু আবিদা সুলতান পাকিস্তানে চলে যাওয়ায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে। সরকার সেই সুযোগে পুরো সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে।

বর্তমানে আদালতের রায়ের ফলে সাইফ আলি খানের দাবি বাতিল হয়ে গেছে। আর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল সম্পত্তি ভারত সরকারের হেফাজতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com