

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদরদপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনাসদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল ১০টার দিকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী বনানী সামরিক কবরস্থানে বীর শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল সামরিক রীতিতে সম্মান প্রদর্শন করে এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। এরপর তারা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদরদপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর পূর্ণ হলো। এই দিনে জাতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই বীর সন্তানদের স্মরণ করছে।