

পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। লোকভবনে আয়োজিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন রাজ্যপাল আর. এন. রবি।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানান হয়, আজ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা শপথগ্রহণ করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুষ্ঠানটি ‘বন্দেমাতরম’ এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন। তিনি আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে, নতুন করে ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ নেবেন। রাজ্যপাল তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিধায়কদের পাশাপাশি উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং দলের একাধিক শীর্ষ নেতা।
সকাল থেকেই লোকভবনে পৌঁছাতে শুরু করেন স্বপন দাশগুপ্ত, কল্যাণ চক্রবর্তী, শঙ্কর ঘোষ, তাপস রায়, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, মালতি রাভা রায়, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, অশোক দিন্ডা, অর্জুন সিংহ, গৌরীশঙ্কর ঘোষ এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়সহ অনেক বিশিষ্ট নেতা। তাদের অধিকাংশই ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাকে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
তবে কারা মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন এবং কে কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাচ্ছেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও দেওয়া হয়নি। শপথের জন্য আমন্ত্রিত অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন।
লোকভবনে উপস্থিত রয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও শমীক ভট্টাচার্য এবং মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।
নতুন ৩৫ জন মন্ত্রীর শপথের মাধ্যমে রাজ্য মন্ত্রিসভার মোট সদস্যসংখ্যা দাঁড়াবে ৪১ জনে।
প্রতিবেদনে সূত্রের বরাতে বলা হয়, শপথগ্রহণ শেষে নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা সরাসরি নবান্নে যাবেন। সেখানে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনের ঘোষণা দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে আরও পাঁচজন মন্ত্রীও সেদিন শপথ গ্রহণ করেন। অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডুর মধ্যে ইতোমধ্যে দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে।