

নিহতের মা আলেয়া বেগমের ভাষ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার আয়েশার পেটে ব্যথা হলে শহরের ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়।
এর আগে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল একই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অস্ত্রোপচারের পর মিম (১৪) নামে এক কিশোরীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের অভিযোগ ছিল, অপারেশনের সময় অসাবধানতাবশত মিমের গলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী কেটে ফেলায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। সে সময় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহামুদুল হাসানের দাবি, সে সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক ডা. আতিকুল আহসানের সঙ্গে সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে আলজারা স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান শামীম আশরাফ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই রোগীর নাড়ির ভেতরে ছিদ্র ছিল এবং তা দিয়ে ময়লা ছড়িয়ে পচন ধরেছিল। যার কারণে পেট ওপেন করে পরিষ্কার করা হয়। বিষয়টি পূর্বেই পরিবারকে জানানো হয়েছিল এবং মা ও ফুফাসহ তিনজন স্বজন অস্ত্রোপচারের সম্মতিপত্রে সই করেন। অস্ত্রোপচারের পর রোগী শকে চলে যাওয়ায় আইসিইউর প্রয়োজনে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহামুদুল হাসান জানান, ‘কলেজছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি জেনে ডেপুটি সিভিল সার্জন বদরুদ্দোজা টিটুকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পূর্বেও ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকায় এবার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।’