

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নানা দাবিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও পেনশন ও আবাসন সংকট, কোথাও শিক্ষা ও দুর্নীতির প্রতিবাদে, আবার কোথাও যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন মানুষ। এসব বিক্ষোভ ঘিরে কয়েকটি দেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়েছে।
আগের বিক্ষোভগুলোতে সহিংসতার ঘটনার পর ইউরোপের বিভিন্ন রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য, কোথাও কোথাও সেনাবাহিনীকেও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
ফ্রান্সে কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। দেশটিতে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় এক হাজার সদস্য আহত হয়েছেন। শুধু প্যারিসেই আহত হয়েছেন প্রায় ১০০ বিক্ষোভকারী ও স্থানীয় বাসিন্দা।
ইতালির মিলান, রোম, তুরিন, নেপলস, বোলোনিয়া ও ফ্লোরেন্সসহ কয়েকটি শহরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ বোতল, পাথর ও আতশবাজি ছোড়েন। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার আটটি শহরের বিক্ষোভ থেকে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৩৭১ জনকে সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
অন্যদিকে, পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে সাশ্রয়ী আবাসনের দাবিতে বিক্ষোভ করেন মানুষ। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এসব আন্দোলন জীবনযাত্রার ব্যয়, সামাজিক অধিকার ও সরকারি নীতির বিরুদ্ধে জমে থাকা অসন্তোষের চিত্র তুলে ধরেছে।
সূত্র: ইউরোনিউজ, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)