বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারী বৃষ্টিতে আবারও তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে দ্য ন্যাশনাল নিউজের প্রতিবেদন, হরমুজ সংকটে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের সমীকরণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ফ্রান্সের অভিনন্দন মোদির ভিডিও অপসারণ: ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইল মেটা পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী বৃহস্পতিবার ‘জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করলে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহারের সাহস পাবে না’ আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার ‘এককালের আপোষহীন বিএনপি এখন আপোসকামী হয়ে জনরায় উপেক্ষা করছে’

চালের দাম বাড়ছে কেন

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০
  • ২৯২ বার

পাইকারি ও খুচরাপর্যায়ে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে চলতি মাসে। আর বস্তাপ্রতি বেড়েছে প্রায় ১৫০ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৩০০ টাকা বেশি। এর অজুহাত হিসেবে বন্যায় আউশ-আমন ধানের ক্ষতির বিষয়টি সামনে আনছেন ব্যবসায়ীরা। বাজার ঘুরে গতকাল দেখা যায়, স্বর্ণা ও গুটি চাল প্রতিকেজি

খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা, যা আগে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা ছিল। ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া বিআর-আটাশ এখন ৫২ টাকা। মিনিকেটের কেজি ৬১ টাকা, যা গত মাসেই ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে সংকটের এই সময়ে সুগন্ধি চালের দাম বেশ খানিকটাই কমেছে। বতর্মানে কালিজিরার চাল ৬৮ থেকে ৭৫ টাকা কেজিতেই মিলছে। মহামারীর কারণে গত কয়েক মাস লকডাউন পরিস্থিতিতে হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ এবং বিয়েসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান ঘটা করে না হওয়ায় মূলত সুগন্ধি চালের দাম কমেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

পাইকারি বাজারে বর্তমানে মিনিকেট বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০, নাজিরশাইল ২ হাজার ৫৫০ থেকে ২ হাজার ৬০০, পাইজাম ও কাটারি ২ হাজার ৩০০, বিআর-আটাশ ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সুগন্ধি চালের বস্তা ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। বাবুবাজারের ব্যবসায়ী সামাদ হোসেন বলেন, ‘ফলন ভালো হওয়ার পরও দাম বাড়ার কারণ নেই। তবে এখন বন্যায় ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে, সে কারণেও বাড়তে পারে। এদিকে আমদানির সুযোগ দিলেও বাজারে এখন পর্যন্ত বাইরের কোনো চাল আসেনি।’

চালের দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে নওগাঁ জেলা চালকল সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাইয়ের শেষের দিকে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের দামও বাড়তে শুরু করেছিল। মাঝখানে সরকার চাল আমদানির পথ সুগম করলে দাম কিছু দিনের জন্য স্থির ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ চাল আমদানি করেছে বলে খবর পওয়া যায়নি। তাই দুই সপ্তাহ ধরে আবারও চাল ও ধানের দাম বাড়তে শুরু করেছে।’ বর্তমানে বাজারে ধানপ্রতি মণ ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান রফিকুল।

এদিকে টিসিবির হিসাব অনুযায়ী, শনিবার নাজিরশাইল ও মিনিকেটের মতো সরু চাল বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৫৫ থেকে ৬৪ টাকায়, এক সপ্তাহ আগেও যা বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৬২ টাকায়। আর গত বছর একই সময়ে ৪৭ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছিল এসব চাল। অর্থাৎ এ বছর চালের দাম ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com