সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

‘খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবে কার কাছে?’

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৮৩ বার

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কার কাছে ক্ষমা চাইবেন, তা জানতে চেয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীনরা বলেন, গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাইতে হবে। কার কাছে? ক্ষমা চাওয়ার লোকটা কে? বর্তমানে জীবিতদের মধ্যে এ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে খালেদা জিয়ার চেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার কে করেছেন? রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলুন। খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবে কার কাছে?’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা নিজেরা অপরাধী, যারা বৈধ নয় এবং আইনসিদ্ধ নয়, তাদের কাছে? তারা কেন আইনের কথা বলেন? আইনমন্ত্রী কি জানেন না রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হলে সর্বোচ্চ আদালত থেকে চূড়ান্ত রায় হতে হয়? আইনমন্ত্রী কি জানেন না পেন্ডিং মামলায় রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়া যায় না? খালেদা জিয়া লড়তে জানেন, ভাঙ্গতে পারেন। কিন্তু দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষ করতে জানেন না। মাথা নত করার জন্য খালেদা জিয়ার জন্ম হয়নি।’

আজ শনিবার রাজধানীর ডিআরইউতে ডা. মিলন দিবসের আলোচনা সভায় বিএনপির এই নেতা এসব কথা বলেন। ‘৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের উদ্যোগে এ আলোচনা সভায় আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও ফজলুল হক মিলনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন- হাবিবুর রহমান, খায়রুল কবির খোকন, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রমুখ।

গয়েশ্বর বলেন, ‘এখানে আজকে অনেক কথা হলো, বাকি আছে কিছু করার। এখানে যারা আছেন তাদের কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা, আপনারা গণতন্ত্র মুক্ত করবেন। গণতন্ত্র মুক্ত করা মানে গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। ’

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা যদি খালেদা জিয়ার হাতে গণতন্ত্র তুলে দিতে পারি, তাহলে তিনিই সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের আন্দোলন আর এখনকার আন্দোলন এক রকম হবে না, কারণ প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আধুনিক প্রযুক্তির রোষানলে আন্দোলন সংগ্রাম দৃশ্যমান হতে পারে না। প্রযুক্তি যেমন কারও জন্য আশীর্বাদ, কারও জন্য অভিশাপও। ’

ছাত্রদের গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘নির্ধারিত কোনো ছাত্র সংগঠন আগে তারা যেটা পারতো, বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হয় বর্তমান ছাত্ররাই পারবে। ছাত্ররা তাদের নিজেদের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছে। বাসের চাকায় একজন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ছাত্ররা মাঠে নেমেছে। হয়ত তাদের সংগঠিত নেতা না থাকলেও চেতনায় তারা ঐক্যবদ্ধ। এ কারণে তারা পারছে। সুতরাং নতুন প্রেক্ষাপটে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। ’

‘আমরা একটা আজব দেশে বাস করছি। যেখানে চিকিৎসার দাবিতেও আন্দোলন করতে হয়। সবাইকে আহ্বান জানাব, এ আন্দোলনই যেন সরকার পতন আন্দোলন হয়,’ যোগ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।

আলোচনা সভায় খালেদা জিয়া আজ জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে উল্লেখ করে আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘নেতৃবৃন্দকে বলবো, আপনারা কর্মসূচি দিন আমরা তা সফল করবো।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com