শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে এনে অস্থিরতা-বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী শাহ আমানতে অন্তর্বাসে ক্যাপসুলসদৃশ স্বর্ণসহ ভারতীয় আটক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ২ দিনে ডিএমপির ৬৩০০ মামলা দুই মেট্রো স্টেশনে বোমাতঙ্ক, ব্যাগে যা মিলল টানা ৫ বারের মতো সাফ সভাপতি হলেন কাজী সালাহউদ্দিন জুলাই অভ্যুত্থানের হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র: মাহদী আমিন হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নতুন ভিসা বন্ড নীতি, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ‍লাগতে পারে বাড়তি ২৪ লাখ টাকা

ফজরের সুন্নত ও তাহাজ্জুদ নামাজ প্রসঙ্গে

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২৫১ বার

প্রশ্ন: যদি কেউ ফজরের সুন্নত না পড়তে পারে তাহলে ফরজ আদায় করার পর তা পড়তে পারবে কি?

উত্তর: যদি কোনো ব্যক্তি ফজরের সুন্নত পড়তে না পারে, তাহলে ফরজ আদায় করার পর তা সূর্য উদয়ের আগে পড়তে পারবে না। যদিও সূর্য উঠার এতটুকু সময় বাকি থাকে, ওই সময়ের মধ্যে সুন্নত পড়া যায়। কারণ ফজরের নামাজ আদায় করার পর সূর্য উঠার আগে কোনো নফল নামাজ আদায় করা মাকরূহ। এ অবস্থায় সুন্নত নামাজটি সূর্য উঠার পর আদায় করবে।

(আবু দাউদ-১:১৮১, আদ্দুররুল মুখতার ২:৬১৯, মাজমাউল , ১:২১-২২)

মাহদী হাসান

বোর্ডবাজার, গাজীপুর

প্রশ্ন: কাপড়ের এক প্রান্তে যদি নাপাক লাগে আর কোথায় লেগেছে তা জানা না থাকে তাহলে পাক করার পদ্ধতি কী?

উত্তর: উল্লিখিত বিবরণ অনুযায়ী যদি কাপড়ের এক প্রান্তে নাপাক লাগে, আর কোথায় লেগেছে তা জানা না থাকে, তাহলে ওই কাপড়ের যে কোনো এক প্রান্ত ধৌত করার দ্বারা পবিত্র হয়ে যাবে। তবে যদি পরে জানতে পারে যে নাপাক অন্য প্রান্তে ছিল তাহলে এ কাপড় দ্বারা যত ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছে তা আবারও পড়তে হবে।

(আল বাহরুর রায়েক, ১:৩৮৩, আদ্দুররুল মুখতার, ১: ৫৮৬)

নাইম আহমদ

কানাইঘাট, সিলেট

প্রশ্ন: তাহাজ্জুদের নামাজ সুন্নত নাকি নফল? সর্বনিম্ন কত রাকাত পড়তে হয়? দুরাকাত করে নাকি চার রাকাত করে পড়তে হয়?

উত্তর: তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা নফল। বিশুদ্ধ হাদিসের বর্ণনায় জানা যায় রাসূল (সা.) কখনো তাহাজ্জুদ নামাজ চার রাকাত পড়তেন, কখনো ছয় রাকাত পড়তেন। কখনো আট রাকাত পড়তেন। কখনো দশ রাকাত পড়তেন।

আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি হজরত আয়েশা (রা.) কে জিজ্ঞেস করেন যে, রমজানে নবিজির নামাজ কেমন হতো? তিনি উত্তরে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) রমজানে এবং রমজানের বাইরে এগারো রাকাতের বেশি পড়তেন না। প্রথমে চার রাকাত পড়তেন, যার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না! এরপর আরও চার রাকাত পড়তেন, যার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা তো বলাই বাহুল্য! এরপর তিন রাকাত (বিতর) পড়তেন। (সহিহ বুখারি ১/১৫৪)।

আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কাইস বলেন, আমি হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবিজি বিতের কত রাকাত পড়তেন? উত্তরে তিনি বলেন, চার এবং তিন, ছয় এবং তিন, আট এবং তিন, দশ এবং তিন। তিনি বিতের সাত রাকাতের কম এবং তেরো রাকাতের অধিক পড়তেন না। (সুনানে আবু দাউদ ১/১৯৩)।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী তাহাজ্জুদের নামাজ ১০ রাকাত পর্যন্ত পড়া রাসূল (সা.) থেকে প্রমাণিত হলেও এর চেয়ে বেশি পড়তে বাধা নেই। কেননা তাহাজ্জুদ নফল ইবাদত-তাই যত বেশি পড়া যায় ততই সওয়াব। আবার চার রাকাতের কম পড়লে তাহাজ্জুদ আদায় হবে না, বিষয়টি এমনও নয়। তাই দুই রাকাত পড়লেও তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে। তাহাজ্জুদের নামাজ দুরাকাত করে যেমন পড়া যায় তেমনি চার রাকাত করেও পড়া যায়।

সূত্র : তাবয়ীনুল হাকায়েক-১/১৭২, আল বাহরুর রায়েক-২/৫৩, ফাতওয়ায়ে শামী-২/৪৫৫

উত্তর দিয়েছেন-

মুফতি তানজিল আমির

আলেম ও গণমাধ্যমকর্মী

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com