মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাবি শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত অর্ধশত শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানোর বীরত্বে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী এখন আত্মহারা : মির্জা ফখরুল ঢাবির জরুরি বৈঠকে প্রভোস্ট কমিটির পাঁচ সিদ্ধান্ত হলে ফেরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান, ‘দালাল-দালাল’ স্লোগান মিছিলের ডাক কোটাবিরোধীদের, আহতদের জন্য চাইলেন সহায়তা বিয়েতে কোনো কমতি থাকলে ক্ষমা করে দেবেন: মুকেশ আম্বানি আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: ওবায়দুল কাদের রায়গঞ্জে আসামিকে ধরতে নদীতে ঝাঁপ, পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু ৩৪ বছর আগে ফিরতে পারলে কোটা আন্দোলনে অংশ নিতাম : রিজভী আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে শক্ত হাতে দমন : ডিএমপি কমিশনার

ক্যানসার সহজেই প্রতিরোধ করা যায়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩০৭ বার

ক্যানসার শব্দটির মধ্যেই রয়েছে এক ধরনের ভীতি। শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মুত্যু পথযাত্রী অস্থিচর্মসার কারও চেহারা। এমন মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কারণ বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর গড়ে এক কোটি ২৭ লাখ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৭৬ লাখ মানুষ মারা যায়। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ৬০ লাখ। মারা যাওয়ার সংখ্যা পৌঁছবে এক কোটি ৭০ লাখে। যত মারা যাচ্ছে, তার ৭০ শতাংশই আমাদের মতো গরিব দেশের মানুষ।

ক্যানসারের অনেকগুলো কারণের একটি ধূমপান। এমন কোনো ক্যানসার নেই, যেটির সঙ্গে ধূমপানের সম্পর্ক নেই। আমাদের দেশের ২৫ শতাংশ ক্যানসার রোগীর ৯০ শতাংশই ধূমপায়ী। শুধু এটি পরিহারের মাধ্যমে ক্যানসার আক্রান্তের ঝুঁকি অনেকাংশ কমানো যায়।

মদ্যপান মুখ, গলা, যকৃৎ, খাদ্যনালি ও স্তন ক্যানসারের জন্য দায়ী। পান-সুপারি, জর্দা, তামাকপাতা মুখ ও গলার ক্যানসারের অন্যতম কারণ। আরও কিছু কারণের মধ্যে শারীরিক পরিশ্রমে অনীহা, ফাস্টফুড, শৈশব থেকে খেলাধুলার প্রতি অনীহায় মুটিয়ে যায় কেউ। শুধু মুটিয়ে যাওয়ার কারণে নারীদেহের জরায়ু, স্তন, খাদ্যনালি ও পায়ুপথে দেখা দিচ্ছে ক্যানসার। খাবারে ভেজাল, প্রিজারভেটিভ ও রঙিন খাবার, কম পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি, আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া এবং বেশি পরিমাণে চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ায় বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি। পেশাগত কারণে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসায় মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। এ ছাড়া ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ও যৌনরোগের কারণেও ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

ক্যানসার হলে মৃত্যু অনিবার্য- এটি একটি প্রবাদতুল্য বাক্য। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের উৎকর্ষে প্রবাদটির তুল্য শব্দটি এখন মূল্যহীন। ক্যানসারে আক্রান্ত হলে এখন আর মরতে হয় না। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার উদাহরণ এখন অনেক। শুধু তা-ই নয়, ক্যানসার প্রতিরোধও করা যায়। ক্যানসার হওয়ার কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো এড়িয়ে চলার মাধ্যমে খুব ভালোভাবে সুস্থ থাকা যায়। কেউ আক্রান্ত হলে শুরুতেই যদি যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন, তাহলেও রোগটি নির্মূল করা সম্ভব।

ক্যানসার নিরূপণের জন্য আমাদের দেশে রয়েছে বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতাল। কিছু ক্লিনিকেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এমনকি গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয়ও প্রাথমিকভাবে নির্ণয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। কাজেই রোগের শুরুতেই এটি নির্ণয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা নিন। সুস্থ ও ভালো থাকুন। আসুন, আমরা ক্যানসার প্রতিরোধ করি। প্রতিরোধে সবাই একসঙ্গে লড়ি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com