শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং যেন মরণ ফাঁদ সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী বললেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী, চলতি মাসেই ঢাকা–কক্সবাজার রুটে একজোড়া নতুন ট্রেন চালু করা হবে সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে এনে অস্থিরতা-বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী শাহ আমানতে অন্তর্বাসে ক্যাপসুলসদৃশ স্বর্ণসহ ভারতীয় আটক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ২ দিনে ডিএমপির ৬৩০০ মামলা দুই মেট্রো স্টেশনে বোমাতঙ্ক, ব্যাগে যা মিলল টানা ৫ বারের মতো সাফ সভাপতি হলেন কাজী সালাহউদ্দিন

প্যাকেটজাত করে পণ্যের দাম বেশি নিচ্ছে সুপারশপগুলো

বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৯০ বার

একই মানের চাল কেবলমাত্র প্যাকেটজাত করার কারণে খোলা বাজারের তুলনায় ৩০ শতাংশের বেশি দামে বিক্রি করছে সুপারশপগুলো। প্যাকেটজাত চালের এই অধিক দামের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে খোলা বাজারের চালের ক্ষেত্রে। ফলে বাজারে বেড়েছে চালের দাম। এভাবে চিনি ও লবণসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও একইভাবে মুনাফা করছে সুপারশপগুলো।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের এক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন সুপারশপ ব্যবসায়ী ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাথে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

তিনি বলেন, চালসহ নিত্যপণ্যের খোলা ও প্যাকেটজাত অবস্থায় দামের এই অসঙ্গতি দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাজারে রূপচাঁদা, প্রাণ, এসিআই, তীর, চাষীসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চাল প্যাকেটজাত করে বিক্রি করা হচ্ছে। অধিদফতরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল খোলা অবস্থায় বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৬৮ টাকা দরে। কিন্তু সেই একইমানের চাল প্যাকেটজাত করে আড়ং, স্বপ্ন, প্রিন্স বাজার, ইউনিমার্ট, মীনাবাজার, অ্যাগোরাসহ বিভিন্ন সুপারশপে ক্রয়মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এক্ষেত্রে মিনিকেট চালে ১৪ থেকে ৩৩ এবং চিনিগুঁড়ো চালে ২১ থেকে ২৯ শতাংশ মুনাফা করছে। একইভাবে লবণে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ এবং ইলিশ মাছে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করছে।

সফিকুজ্জামান বলেন, অভিযানে দেখা গেছে, যেকোনো পণ্য সুপারশপগুলোর লাভের পরিমাণ বেশি। সুপার প্রিমিয়ামের নামে ৫২ টাকার চাল বিক্রি করছে ৮৮ টাকায়। এভাবে তারা ভোক্তার পকেট কাটছে। কে কত টাকা লাভে পণ্য বিক্রি করছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। বাজারে পণ্যের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে সুপারশপগুলোর ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, মিনিকেট চালের নামে প্রতারণা চলছে। এই প্রতারণা বন্ধ হওয়ার দরকার।

‘মোটা চাল খাওয়ার অভ্যাস করলে বাজারে আর মিনিকেট থাকবে না,’ বলেন তিনি।

অধিদফতরের এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুপারশপের প্রতিনিধিরা বলেন, প্যাকেটজাত পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) সুপারশপগুলো নির্ধারণ করে না। বাজারজাতকারী ব্র্যান্ডগুলোই তা নির্ধারণ করে। এক্ষেত্রে তাদের দায় নেই। নিয়ম অনুযায়ী তারা মুনাফা করছেন।

এদিকে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদফতর আগামীকাল বুধবার আরেকটি মতবিনিময় সভা ডেকেছে। এতে সাবান, ডিটারজেন্ট, টুথপেস্ট, লিকুইড ক্লিনার জাতীয় পণ্যের দাম বাড়ার বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে। এসব পণ্যের উৎপাদক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

সূত্র : বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com