শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

হত্যার আগের দিন মিন্নি ডিভোর্স চেয়েছিলেন

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৪৩৬ বার

বরগুনার বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ২৫ জুন দুপুরে রিফাত শরীফ ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি রিফাতের ফুফাত বোন হ্যাপি বেগমের বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। মিন্নি স্বাধীনভাবে চলতে চেয়েছিল। রিফাত তাকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে রাজি ছিলেন না। এ কারণে ওই বাসায় মিন্নি রিফাতের কাছে ডিভোর্স চেয়েছিল। গতকাল রবিবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে এমনই সাক্ষ্য দিয়েছেন হ্যাপি বেগম। সাক্ষ্যপ্রদান শেষে আমাদের সময়কে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

একই দিন আদালতে এ হত্যা মামলায় আরও দুজনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। তারা হলেনÑ বরগুনা পৌর কাউন্সিলর ফারুক শিকদার ও জয় চন্দ্র রায়।

সাক্ষ্য প্রদানকালে মামলার অন্যতম আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ৯ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ পর্যন্ত ৩৮ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সমাপ্ত হয়েছে।

এদিকে একই আদালতে গতকাল আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন বাতিলের আবেদনের শুনানি করে সাক্ষীকে হুমকির অভিযোগ তদন্তের আদেশ দিয়েছেন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা কারাগার হতে পুলিশ পাহারায় আট আসামিকে দায়রা আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিও তার বাবার সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হন। আসামি মুছা এখনো পলাতক রয়েছে। সাক্ষ্য প্রদান শেষে জয় চন্দ্র রায় বলেন, ২৫ জুন সকাল সাড়ে

৯টায় রিফাত ফরাজি ও মিন্নি বরগুনা সরক কলেজ গেটে আসে। আমার সঙ্গে তাদের দেখা হয়। রিফাত চলে যাওয়ার পর আমি ও মিন্নি কলেজে প্রবেশ করি। কিছুক্ষণ পর মিন্নি কলেজের দক্ষিণ পাশের দেয়ালে একটি মই (সিঁড়ি) দিয়ে নয়ন বন্ডের বাসায় যায়। রিফাত শরীফ মিন্নির ফোন বন্ধ পেয়ে আমাকে বারবার ফোন দিয়ে মিন্নির কথা জানতে চায়। আমি রিফাত ভাইকে বলি মিন্নি ক্লাসে। এর পর আমি নয়ন বন্ডকে ফোন দিয়ে বলি রিফাত ভাই মিন্নিকে খুঁজছে। তাকে পাঠিয়ে দাও। আমি নয়ন বন্ডের কথামতো মিন্নিকে আনতে তার বাসায় যাই এবং মিন্নিকে রিকশায় করে নিয়ে আসি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com