গত ১৪ দিন ধরে চুয়াডাঙ্গা জেলায় অব্যহত রয়েছে তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপমাত্রা। এখানে বাতাসে বইছে আগুনের হল্কা। অতি তীব্র তাপদাহে গলে যাচ্ছে সড়কের পিচ। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ৩টায়
সারাদেশে বিরাজমান তাপপ্রবাহ পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে ৭২ ঘণ্টা ফের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক তাপপ্রবাহ নিয়ে জারি করা
বেশ কিছুদিন ধরেই দুর্বিসহ গরমে নাজেহাল অবস্থা দেশের অধিকাংশ এলাকার মানুষের। গরমের পাশাপাশি আরেক দুশ্চিন্তার বিষয় এখন মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ের অতিবেগুনি রশ্মি। প্রতি বছরই এই মৌসুমে অতিবেগুনি রশ্মির তীব্রতা বিপজ্জনক মাত্রায়
ঢাকাসহ দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়ার
এবারের মতো গরম আমি আগে দেখিনি। রোদে গেলে মনে হচ্ছে গায়ের চামড়া পুড়ে যাচ্ছে”, বলছিলেন ঢাকার একজন রিকশাচালক মোহাম্মদ মিঠুন। ২৭ বছর বয়সী মিঠুন পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে রিকশা
বাংলাদেশে ভয়াবহ তাপদাহের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গেও একই অবস্থা। কিন্তু এই অবস্থা শুধু এখানকারই না। এই অবস্থা গোটা এশিয়াজুড়ে, বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে। চলতি মাসের শুরু থেকেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে
রাজ করছে। এ তাপমাত্রা দেশের সর্বোচ্চ হচ্ছে কোনোদিন ঈশ্বরদী কোনোদিন চুয়াডাঙ্গায়। রোববার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় ঈশ্বরদীতে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া প্রায়
প্রখর তাপপ্রবাহ আর গরমে জনজীবন এক রকম বিপর্যস্ত। দিনের পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকার কারণে গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। এমনটি জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক। আজ রবিবার সংবাদ সম্মেলনে
দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আজ নদীবন্দরের জন্য সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, রোববার দুপুর
রাজধানী ঢাকায় আজ শনিবার বইছে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ছাড়িয়ে গেছে ৪০ ডিগ্রি। আর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। ঢাকায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।