বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জনকেন্দ্রিক করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো: তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের সময় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক সরকার বা দলের ও ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইতে পারে বাংলাদেশ। আজ শনিবার রয়টার্স টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটি জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। পররাষ্ট্র
ভারতের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক চায় বলে যে ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, তা দিল্লির নজরে এসেছে এবং দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করছে যে ভবিষ্যতে এ নিয়ে আরো আলাপ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সালে ফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এ সময় তারা ফোনালাপে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ফোনালাপে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, তারা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সাথে কাজ করবেন। তিনি বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক যে আমরা এই সরকারের সাথে কার্যক্রম চালাব।’ তিনি বলেন, তাদের স্বীকার করতে হবে যে
গত মাসেও যিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন, সেই শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন তিন সপ্তাহেরও ওপর হয়ে গেল। বেশ গোপনীয়তা ও কড়া সুরক্ষার মধ্যে ভারত সরকার আপাতত তার (সাথে তার
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যি এরদোগান মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এ সময় প্রেসিডেন্ট এরদোগান বাংলাদেশের বন্যাদূর্গত এলাকায়
বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি বলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সৌজন্য
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে আজ রোববার সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বেলা সাড়ে ১১টায় এই সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অধ্যাপক
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘কেন জানি ভারত বাংলাদেশের মানুষ, তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য জীবন-যাপনের প্রতি উদাসীন। বাংলাদেশের মানুষের বাঁচা-মরা ভারত কখনোই আমলে নেয় না।’ আজ বৃহস্পতিবার