জাতিসংঘ, আসিয়ান এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর কাছে পাইলট প্রত্যাবাসন প্রকল্পকে সমর্থন করার এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসিত হতে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি
আগামী ৯ জুলাই অনুষ্ঠিব্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ করেছে উজবেকিস্তান। এ সময় বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে উজবেকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আজ শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক
জাতিসঙ্ঘ, আসিয়ান এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর কাছে পাইলট প্রত্যাবাসন প্রকল্পকে সমর্থন করার এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনকারীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসিত হতে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি। তবে দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনোরি বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে খোঁজখবর রাখলেও আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনা
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, রাশিয়া, চীন কিংবা অন্য কোনো দেশের সাথে ঢাকার সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে ওয়াশিংটন বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ক নির্ধারণ করে না। যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি এসিসটেন্ট সেক্রেটারি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসঙ্ঘ রেজুলেশনের ভিত্তিতে সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এবং ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান এবং ১৯৬৭ সালের আগের সীমান্ত অনুযায়ী একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী সমস্ত কূটনৈতিক কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ১৫
বাংলাদেশস্থ বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা প্রদান প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করেছে। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কিছু কিছু গণমাধ্যমে ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বা বাংলাদেশস্থ বিদেশী কূটনীতিকদের
চার দেশের রাষ্ট্রদূতের স্থায়ী পুলিশি এসকর্ট সুবিধা বাতিলের পর রাষ্ট্রদূতদের গাড়িতে পতাকা উড়ানো বন্ধের বিষয় নিয়েও ভাবছে সরকার। মানবজমিনকে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। রোববার ঢাকায়
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ঢাকায় কোনো বিদেশী কূটনীতিককে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকার বৈষম্য করতে চায় না। তবে অর্থের বিনিময়ে তারা এ ধরনের সুবিধা পেতে পারে।