যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনী ব্লিঙ্কেনের বিশেষ উপদেষ্টা ডেরেক শোলে বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি একই সাথে রোহিঙ্গা সঙ্কট
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের কাউন্সেলর ডেরেক শোলে বলেছেন, ৫১ বছরে গড়ে ওঠা শক্তিশালী অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সাথে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে ‘আশাবাদী’ তারা। শোলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের
বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সফররত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ঢাকায় এর সদস্য রাষ্ট্র মিশনগুলো ‘দৃঢ়ভাবে’ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিযুক্ত সকলকে ‘শান্তিপূর্ণ এবং আইনানুগ’ পদ্ধতিতে রাজনীতি করার জন্য উৎসাতি করেছে। ইইউ এবং ইইউ সদস্য রাষ্ট্র মিশন ‘রাজনৈতিকভাবে
জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দুই দেশের সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে গাম্বিয়ার প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মামাদু তাঙ্গারা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সাথে বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার সরকারি বাসভবন
তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। জাতিসংঘ মহাসচিবের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ডেটা সুরক্ষা আইন যদি ডেটা স্থানীয়করণের প্রয়োজনীয়তাকে কঠোরভাবে অনুসরণ করার শর্ত দিয়ে অনুমোদন করা হয়, তাহলে বর্তমানে বাংলাদেশে কাজ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ চায় পাকিস্তান ১৯৭১ সালে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর চালানো নৃশংসতার জন্য ‘আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাক।’ তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার এ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য অভিন্ন। উভয় দেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের
জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের জন্য জাতিসঙ্ঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।