স্বদেশ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের সংখ্যার ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হবে রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ওয়েবসাইটে দেশের
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন চূড়ান্ত করেছে সরকার। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০ উপজেলাকে রেড
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। আজ রোববার দুপুরে নাসিমের চিকিৎসায় গঠিত ১৩ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাটা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো তিনি পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। গতকাল শনিবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছিল, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বাস্থ্য
বড় বড় ব্যবসায়িক গ্রুপের চাপ সত্ত্বেও আগামী অর্থবছরে বিদ্যমান করপোরেট কর হারের কোনো পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে না সরকার। কারণ এ কর কমানো হলে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের
করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধের পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচলে দেশটি তিনটি রংয়ে- লেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করছে সরকার। আর কোন এলাকা কোন রংয়ে থাকবে তার জন্য বিভিন্ন নীতিমালাও চূড়ান্ত
করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো দেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন-এই তিন জোনে ভাগ করে লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। করোনা আক্রান্তের হার কোন এলাকায় কেমন-তার উপর ভিত্তি করে এই
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার দেশে ঐতিহাসিক ছয়দফা দিবস পালন উপলক্ষে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। নিবন্ধটি নিচে তুলে ধরা হলো : আমরা ৭ জুন ৬-দফা দিবস হিসেবে পালন করি। ২০২০ সালে বাঙালির
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (৫ জুন) তার স্ট্রোক হয়। এর আগেও তার একবার স্ট্রোক হয়েছিল। সব মিলিয়ে তার অবস্থা
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে যেভাবে টেস্ট করা হচ্ছে তাতে প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আশংকা করছেন, সম্ভাব্য রোগীদের নাক এবং