ইসলাম মানুষের কাছে হালাল-হারাম দু’টি পদ্ধতির স্পষ্ট বিধিবিধান বাতলে দিয়েছে। মানুষ পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য নানারকম জীবনোপায় অবলম্বন করতে গিয়ে কেউ কোনোরকমে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেন আবার কেউ বিলাসিতা করেন।
মক্কায় দীর্ঘদিন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ইসলাম প্রচারের পর অবশেষে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে এবং মদিনাবাসীর আমন্ত্রণে রাসূল সা: ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করেন। মদিনায় এসে তিনি ধর্ম প্রচারকের পাশাপাশি প্রথমবারের
পবিত্র কুরআন হলো ঐশী আলো। যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না। আর এই কুরআন হিফজ করার মর্যাদাও অনেক বেশি। হাফেজ হওয়ার কারণে তাকে সব সময় কুরআন মাজিদ
আজ হিজরি ১২ রবিউল আউয়াল। পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারি, মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা: ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে মায়ের কোল আলোকিত করে দুনিয়াতে
আবির্ভাব থেকে নবুওয়াত (১-৪০ বছর) শুভ জন্ম : মক্কার প্রসিদ্ধ ও সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশের বনু হাশেম শাখায়। ‘আমুল ফিল’ তথা আবরাহার হস্তিবাহিনীর কাবাঘর আক্রমণের বছর ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে রবিউল আউয়াল মাসে
রাসূল সা: সাহাবিদের মধ্যে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে তাদের দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন, তাদেরকে বলা হয় আশারায়ে মুবাশশারাহ। তারা হলেন নবীদের পর উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক। এই ১০
নবুয়তের প্রথম যুগ। নবীজী সা:-এর মক্কী জীবন। হাতেগোনা কয়েকজন সাহাবিকে সাথে নিয়ে নবীজী সা:-এর দাওয়াতি কার্যক্রম চলমান। হজরত খাদিজা রা: ও আবু বকর রা: তো শুরুতে-ই ইসলাম কবুল করে নিয়েছিলেন।
সুরা হুজুরাত। যাকে বলা হয় আদব বা আদবের সুরা। এ সুরাটি আদব শেখায়। যা নাজিল হওয়ার পর সাহাবিরা ভীত হয়ে পড়েছিলেন। কারণ এই সুরায় আল্লাহ বললেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ, তোমরা নবীর
প্রত্যেক জিনিসের একটি সৌন্দর্য আছে। যেমন- জামা-কাপড় বানালে কাটিং ও সেলাই সুন্দর না হলে জামা দেখতে ভালো দেখায় না, পরতেও আরাম লাগে না। জুতা পরিধান করলেও আমরা সুন্দরটিই বেছে নিই।
রাগ নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। প্রত্যেক মানুষেরই রাগ আছে। তবে কারো কম আর কারো বেশি। প্রতিদিনের হাসি-কান্না, আনন্দ-দুঃখ, ঘৃণার মতো রাগও আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। রাগ এটি মানুষের স্বভাবজাত