সবাই চায় তার রিজিক বেড়ে যাক, সহজে ধনী হয়ে যাক। জীবনে প্রাচুর্য আসুক। কিছু মানুষ তো অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তায় এমন অস্থির হয়ে আছে যে- তারা ভুলেই গেছে, মানব ও জিন জাতিসহ
তৎকালীন বাঙলার আসাম ও সোনারগাঁওয়ে ইবনে বতুতার আগমন হয় ১৩৪৫-৪৬ খৃষ্টাব্দে। ইবনে বতুতার বিশ্ব ভ্রমণের অনেকাংশ জুড়েই ছিল সুফি-ফকিরদের আলাপ-আলোচনা। তৎকালীন বাঙলা অঞ্চলেও তার সফরের মূলে ছিলেন একজন সুফি পীর।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ৮ জুলাই পবিত্র হজ। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে হজযাত্রীরা সৌদি যেতে পারবেন কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অবশ্য সৌদি আরবের
আল্লাহতায়ালা বলেন, নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত। -(সুরা মাআরিজ আয়াত : ১৯-২০)। তাই আল্লাহ রহমত থেকে নিরাশ
এ কথা বাস্তব যে, আমাদের নতুন প্রজন্ম বিশ্বাস করে বিজ্ঞানের উন্নতি ও অগ্রগতিতে মুসলমানদের কোনো অবদান নেই। তবে তাদের এ বিশ্বাস সঠিক নয়; মূলত বিজ্ঞানের আজ যে উত্থান ও উন্নয়নের
শাহ ওলিউল্লাহ দেহলবির চিন্তাদর্শনের মৌলিক অবকাঠামোর দিকে যদি চোখ বুলাই, তার চিরায়ত গ্রন্থ ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা’ যদি অধ্যয়ন করি, তাহলে এই বিষয়টি পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যায় যে— শাহ সাহেবের দৃষ্টিতে নবী-রসুলদের
‘‘আমার খুব শখ ছিল ক্যালিওগ্রাফি ব্যবহার করে আমার প্রিয় কোরআনের নকল তৈরি করবো। গত বছর কোরআনের একটি অধ্যায় নকল করে আমি আমার বাবা-মা, বন্ধু-বান্ধবদের দেখাই। তারা খুবই খুশি হয়। আমি
স্বপ্ন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে নির্দেশনা পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআন আটটি স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছে এবং স্বপ্ন ব্যাখ্যাকে জ্ঞান হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। কোরআনের বাচনভঙ্গিতে প্রতীয়মান হয় যে স্বপ্ন এক
সমাজে প্রচলিত আছে যে, মাকড়সার জাল ঘরে থাকলে অভাব-অনটন দেখা দেয়— এ কথাটি অবাস্তব। কুরআন-হাদিসে এর কোনো প্রমাণ নেই। কোনো কোনো তাফসিরের কিতাবে হজরত আলী (রা.) থেকে এ ধরনের একটি
প্রশ্ন: গাছে পেরেক ঠুকে তাসবিহ, জিকির, দোয়া ইত্যাদি লিখে প্রচার করা যাবে কি? উত্তর: বর্তমানে কোনো কোনো এলাকায় সড়কের দুপাশে গাছের মধ্যে নানা ধরনের দোয়া ও জিকিরসংবলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।