জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সাল বলেছেন, ‘নির্বাচনের খেলা হবে বলে আমার মনে হয় না। বিশ্ব পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে ২০২৪ সালে দেশে নির্বাচন হবে কিনা আমার সন্দেহ আছে।’ তিনি
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যরা পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ পার্টির যে ১০ম জাতীয় সম্মেলন ডেকেছেন তারা তার বিপক্ষে। গতকাল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে বর্তমান সরকার গোটা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে তুলেছে। এদেরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে
দশ সাংগঠনিক বিভাগে সমাবেশের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি সরকারবিরোধী আন্দোলনে জনসম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে দলটি। ৮২ সাংগঠনিক জেলা ও এর অধীনের ইউনিটে
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে গিয়ে নিজেদের মধ্যে ‘আন্দোলন ও নির্বাচনী সমঝোতা’ গড়া চেষ্টা করছে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক ইসলামি দলগুলো। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে স্বতন্ত্র আন্দোলন গড়ে তোলা, নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী
আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বোন ও সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি কথা দিয়ে তা রাখতে না পারা ছাত্রলীগ চাননি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ বলেছেন, কিছু সমস্যা থাকলেও আমি ভালো আছি, সুস্থ আছি। আশা করছি, আগামী নভেম্বরে মাসে দেশে ফিরে আসব। আজ বৃহস্পতিবার সকালে
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা ও কৃষ্ণপুর) আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। আর এবারের নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেয়েছেন সদ্য প্রয়াত সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব
রাজপথ ছাড়া কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে মতামত দিয়েছেন ৮২টি সাংগঠনিক জেলা ও ১০ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা। পাশাপাশি শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাওয়া যাবে না
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১-২০০৬ সাল বিভীষিকাময় পরিস্থিতির কারণে সব সময় চিহ্নিত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সোমবার সন্ধ্যায় সজীব