শীতের ভোর মানেই অলসতা। উঠছি উঠছি করে আবারও ঘুম। সকালের নাস্তা, ক্লাস বা অফিসের সময় সবকিছুতেই করতে হয় তাড়াহুড়ো। অন্যদিকে শীতের ভোরে শরীরচর্চার কার্যকারিতা বেশি হলেও তা অনিয়মিত হয়ে পড়ে।
মুখ-হাতের ত্বকের যত্ন আমরা নিয়েই থাকি, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমরা ভুলে যাই পায়ের কথা। শীতে পায়ের চামড়া শুষ্ক-রুক্ষ হয়ে ফাটতে শুরু করে এবং সেখানে ধুলো-ময়লা জমতে শুরু করে। এতে অনেক
নারী-পুরুষের সম্পর্ক, হোক তা প্রেম বা বিবাহিত জীবন, সেখানে শারীরিক সম্পর্ক কতটা জরুরি তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকের মনেই। একটা সুস্থ, সুন্দর প্রেম বা বৈবাহিক জীবনে শারীরিক সম্পর্ক কতটা প্রভাব
শারীরিক সম্পর্ক কতটা উপভোগ করবেন, তা নির্ভর করে কীসের উপর? কোন সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন, তার উপর, না কি শরীর কতটা সুস্থ আছে, তার উপর? শারীরিক সম্পর্কের আগে কেমন
জীবনে একাধিকবার প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন প্রায় সকলে। কিছু সম্পর্ক বহু বছর টিকে যেতে পারে, কিছু সম্পর্কের সময়কাল কয়েক মাসেই থেমে যায়। একটা সময় জুড়ে আর একজন মানুষকে চেনা, তাঁর
একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া কারও জন্যই সুখকর নয়! তা হোক প্রেমের কিংবা বিয়ের। সম্পর্ক ভেঙে গেলে নারী-পুরুষ দু’জনেরই হয়তো সমান কষ্ট হয়। তবে সম্প্রতি এক গবেষণা বলছে, বিচ্ছেদ ঘটলে নারীর
যৌন সম্পর্কিত রোগের ব্যাপকতা বেড়েই চলেছে। সময় যত যাচ্ছে, মানুষের সচেতনতা তত বাড়ছে। তবে অনেকে যৌনরোগ রোগই মনে করেন না। ফলে তাদের ক্ষেত্রে রোগমুক্তি কঠিন হয়ে পড়ে, এমনকি একপর্যায়ে ভয়াবহ
সব কথা সব সময় বলা যায় না। তবে সব কথা মুখ ফুটে বলতেও লাগে না। অনিমেষ কি কলেজবেলায় মাধবীলতাকে বলতে পেরেছিল সে তাকে কতটা ভালবাসে? অমিত-লাবণ্যর কি একে অপরকে বলার
যৌনজীবন সুন্দর হলে শরীর সুস্থ থাকে, মন চাঙ্গা হয়-তা জানা আছে সবার। কিন্তু পরিস্থিতি উল্টো হলে শরীর-মনে এর প্রভাব পড়ে। বিয়ের পর ধীরে ধীরে একে অপরের প্রতি শারীরিক আকর্ষণ কমতে
সুস্বাস্থ্য পেতে গেলে সুস্থ যৌন জীবন একান্ত প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত যৌন মিলন হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া শরীরে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক অত্যন্ত কার্যকরী। কিন্তু