দেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাস মহামারির বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার বিষয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, ‘রোববার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন আরো দীর্ঘ হচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ১৯৫ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম
বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শুক্রবার সকালে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে (শীর্ষে) উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। শুক্রবার সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ঢাকার স্কোর ছিল
করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে ২০ লাখ মানুষ মারা যাবে বলে মানুষের মধ্যে খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এ ধরনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর
ইতালি বুধবার করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে লকডাউনের সময়সীমা ১৩ এপিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। দেশটিতে করোনায় এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ১১৫ জন প্রাণ হারিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গুইসেপে কন্টে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া টেলিভিশন
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও দুজন করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এ নিয়ে দেশে মোট ৫৬ জন করোনা
কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসে বেশির ভাগ বয়স্ক মানুষ মারা গেলেও ব্রিটেনে তিন কিশোর মারা যাওয়ায় আতঙ্কিত ব্রিটেনের লোকজন। এদিকে ব্রিটেনে করোনাভাইরাসে বুধবার আরো ৫৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, জানুয়ারির
ভারতের রাজধানী দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদে তাবলীগ জামাতের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া প্রায় ৯০০০ জনের করোনা সংক্রমণ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা করা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া অনেকে একে
সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করা যাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কিন্তু করোনা প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে সমালোচনা করলেই আওয়ামী লীগ ক্ষিপ্ত
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাবে অস্বাভাবিক হারে কমছে রফতানি আয়। সেই সাথে কমে যাচ্ছে রেমিট্যান্স-প্রবাহ। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সামনে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ আস্বাভাবিক হারে কমে যাবে। এ পরিস্থিতিতে চাপে পড়ে যাবে