রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী জলসীমা অতিক্রম করে ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি, যা বলছে মন্ত্রণালয় নিজ দলের নেতাকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিএনপি নেতা আজাদের সব পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত জুলাই জাদুঘর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস বিএনপি সরিয়ে ফেলেছে: আসিফ মাহমুদ জুলাইযোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর প্রতিটি বাড়িঘর পাহারায় রাখা সম্ভব নয়: রাজউক চেয়ারম্যান

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে

এনবিডি নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩ মে, ২০২৩
  • ১২৮ বার

আজ বুধবার রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার সম্ভাবনা ছিল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। কিন্তু তার মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর জানা যায়, চিকিৎসার প্রয়োজনে তাকে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে।

এ বিষয় বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, আজ সন্ধ্যায় ম্যাডামের মেডিক্যাল বোর্ড বৈঠকে বসেছিল। বোর্ড থেকে সিদ্ধান্ত এসেছে তাকে হাসপাতালে থাকতে হবে। ম্যাডামের বাসায় ফেরার বিষয়টি কত দিন লাগতে পারে, তা বলা যাচ্ছে না।

এভারকেয়ারে হাসপাতালের ৭২২৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন তিনি।

গত ২৯ এপ্রিল নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ওই নিয়মিত চেকআপ করার পর বাসায় ফেরার কথা থাকলেও তার মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তে রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগে গত বছরের জুনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হার্টের তিনটি ব্লক ধরা পড়ে । তার একটি ব্লকে রিং পরানো হয়েছে।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। নানা শারীরিক জটিলতায় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

একপর্যায়ে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। প্রায় দুই মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন। ১৯ জুন বাসায় ফেরেন। এর মধ্যে করোনার টিকা নেয়ার জন্য খালেদা জিয়া দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান। ১৯ জুলাই করোনার প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন তিনি।

গত বছর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার ‘পরিপাকতন্ত্রে’ রক্তক্ষরণ এবং লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার কথাও জানান চিকিৎসকরা।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারীর প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত ছয় দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ফলে তিনি তার গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com