সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিরোধী দলের নেতারা হাসিনার ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন : মির্জা ফখরুল চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে মাদ্রাসার বাথরুম থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাল উত্তরা ইউনিভার্সিটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আইইউবিএটিতে অনুষ্ঠিত হলো উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা সমুদ্রে গোসলের সময় শাড়ি ও সালোয়ার কামিজ না পরার আহ্বান মন্ত্রীর রংপুরে সালিসে ধর্ষণের বিচার, জরিমানার টাকা মেম্বারের পকেটে অর্থনৈতিক অঞ্চল সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ বেজার জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ইস্যুতে আমিরাতের সঙ্গে কথা বলেছে সরকার বরিশালে বাড়ির পাশে হঠাৎ বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৩

কাঁঠালপাতা বিক্রি করে সংসার চলে শিক্ষকের

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১২ বার

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মহাসড়কের পাশের দোকানে কাঁঠালপাতা বিক্রি করছেন দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক আবদুল হামিদ (৫৮)। ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে কাঁঠাল পাতার স্তূপ। পাতা কিনতে দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড়। ‘‘হামাক এক বোঝা পাতা দেও, মাস্টার।’’ ক্রেতার চাহিদা শুনতেই স্তূপ থেকে টেনে পাতা বের করে দিলেন আবদুল হামিদ। পাতা বুঝে পেয়ে বিক্রেতাকে সালাম দিয়ে চলে গেলেন ওই ক্রেতা।

প্রায় দুই যুগ ধরে বিরামপুর উপজেলার দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কলাবাগান এলাকায় কাঁঠালপাতা বিক্রি করছেন এই শিক্ষক। আবদুল হামিদ জানান, দিন শেষে এ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে চলে তার সংসার। দীর্ঘদিন ধরে কোনো বেতন পান না তিনি।

আবদুল হামিদের বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। তিনি ২০০২ সালের ১ জুন উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। যোগদানের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ৯ বার এমপিওর (মান্থলি পে-অর্ডার) জন্য আবেদন করেছেন।

তবে প্রতিবারই তার আবেদন বাতিল হয়েছে। দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি ওই বিদ্যালয়ে বেতন ছাড়াই পাঠদান করে যাচ্ছেন। সংসার চালাতে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কাঁঠালপাতার ব্যবসা। এ থেকে তার প্রতিদিন ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়।

দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ওই বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন আবদুল হামিদ। সরকারি কোষাগার থেকে বেতন না পেলেও বিদ্যালয়, শ্রেণিকক্ষ আর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মায়ায় বাঁধা পড়েছেন। এ জন্য এখনো বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান করেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com